মহারাজ পরীক্ষিৎ শুকদেব গোস্বামীকে জিজ্ঞাসা করলেন- “হে পরমারাধ্য মুনিবর, কি কারণে নারদ মুনি নলকূবর এবং মণিগ্রীবকে অভিশাপ দিয়েছিলেন? তাঁরা কি এমন নিন্দনীয় কর্ম করেছিলেন, যার ফলে দেবর্ষি নারদও ক্রুদ্ধ হয়েছিলেন? দয়া করে আপনি আমার কাছে তা বর্ণনা করুন।”
শ্রীল শুকদেব গোস্বামী বললেন- “হে মহারাজ পরীক্ষিৎ, কুবেরের সেই দুটি পুত্র শিবের পার্ষদত্ব লাভ করেছিলেন এবং সেই পদগর্বে অত্যন্ত গর্বিত হয়ে তাঁরা কৈলাস পর্বতে মন্দাকিনীর তীরে সুরম্য উপবনে বারুণী নাম্নী মদিরা পান করে, মদঘূর্ণিত লোচনে নারীদের সঙ্গে পুষ্পশোভিত বনে বিচরণ করতেন। তখন তাঁরা গান করলেও নারীরাও সঙ্গে সঙ্গে গান করতেন। তাঁরা পদ্মবন সুশোভিত গঙ্গায় প্রবেশ করে, মত্ত হস্তী যেভাবে হস্তিনীদের সঙ্গে ক্রীড়া করে, সেইভাবে যুবতীদের সঙ্গে বিহার করছিলেন।”
“হে মহারাজ পরীক্ষিৎ, তখন সেই কুমারদের সৌভাগ্যের ফলে ঘটনাক্রমে নারদ মুনি সেখানে এসে উপস্থিত হয়েছিলেন। তাঁদের মদঘূর্ণিত নেত্র দর্শন করে, তিনি তাঁদের অবস্থা বুঝতে পেরেছিলেন। নারদ মুনিকে দেখে নগ্না দেবকন্যাগণ লজ্জিতা হয়েছিলেন এবং অভিশাপের ভয়ে তাঁরা শ্রীঘ্রই তাঁদের বসন পরিধান করেছিলেন। কিন্তু কুবেরের দুই পুত্র তা করেননি। পক্ষান্তরে, নারদ মুনিকে উপেক্ষা করে তাঁরা নগ্ন অবস্থাতেই রইলেন। সেই দেবপুত্রদ্বয়কে নগ্ন এবং ঐশ্বর্যমদে ও সুরাপানে মত্ত দেখে, দেবর্ষি নারদ তাঁদের প্রতি অনুগ্রহ করার জন্য বিশেষ অভিশাপ প্রদান করার বাসনায় বলেছিলেন- “সমস্ত উপভোগ্য বিষয়ের মধ্যে ঐশ্বর্যের গর্ব যেভাবে বুদ্ধি নাশ করে থাকে, দেহের সৌন্দর্য, উচ্চকুলে জন্ম এবং বিদ্যা প্রভৃতির গর্ব সেইভাবে বুদ্ধি নাশ করে না। অশিক্ষিত ব্যক্তি যখন ধনমদে মত্ত হয়, তখন সে স্ত্রীসম্ভোগ, দ্যূতক্রীড়া এবং মদ্যপানে লিপ্ত হয়। ধনমদে মত্ত বা সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করার গর্বে গর্বিত অজিতেন্দ্রিয় নির্দয় মানুষেরা তাদের নশ্বর দেহটিকে জরা-মৃত্যু রহিত বলে মনে করে নিরীহ পশুদের হত্যা করে। কখনও কখনও তারা কেবল আনন্দ উপভোগের জন্য অথবা চিত্ত বিনোদনের জন্য পশুদের হত্যা করে। জীবিতকালে নিজেকে একজন প্রভাবশালী বড় মানুষ, মন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি অথবা দেবতা মনে করে কেউ তার দেহের জন্য গর্বিত হতে পারে। কিন্তু সে যে-ই হোক না কেন, মৃত্যুর পর তার দেহ কৃমি, বিষ্ঠা অথবা ভস্মে পরিণত হবে। যদি কেউ তার শরীরের তৃপ্তির জন্য নিরীহ প্রাণীদের হিংসা করে, পরবর্তী জন্মে সেই জন্য তাকে কষ্টভোগ করতে হবে, সেই কথা না জানলেও এই প্রকার দুষ্কর্মের জন্য সেই দুষ্কৃতিকারীকে নিঃসন্দেহে নরকে প্রবেশ করে তার কর্মফল ভোগ করতে হবে। জীবিত অবস্থায় শরীরটি কি অন্নদাতার, পিতার, গর্ভধারিণী মাতার, মাতামহের, বলপূর্বক গ্রহণকারীর, মূল্যের দ্বারা ক্রয়কারীর, না কি পুত্রদের যারা অগ্নিতে তা দহন করে? অথবা, দেহটি যদি দাহ না করা হয়, তা হলে যে কুকুরেরা তা ভক্ষণ করে, দেহটি কি তাদের? এই সমস্ত বহু সম্ভাব্য দাবিদারদের মধ্যে প্রকৃত দাবি কার? তা স্থির না করে পাপকর্মের দ্বারা দেহটির পালন করা ঠিক নয়। অব্যক্ত প্রকৃতি থেকে এই দেহের উৎপত্তি হয়েছে এবং প্রকৃতিতেই তার লয় হয়। তাই এটি সকলেই সম্পত্তি। এই প্রকার সাধারণের ভোগ্য এই জড় দেহটিকে নিজের বলে দাবী করে তার প্রীতি সাধনের জন্য পশুহত্যা আদি পাপকার্য দুর্জন ব্যতীত অন্য কেউ তা করতে পারে না। ধনমদে মত্ত মূর্খ নাস্তিক এবং দুর্জনেরা যথাযথ দর্শনে অক্ষম। তাই তাদের পক্ষে দরিদ্র হয়ে যাওয়াই যথার্থ দৃষ্টি লাভের পক্ষে প্রকৃষ্ট অঞ্জনস্বরূপ। দরিদ্র ব্যক্তি অন্তত বুঝতে পারে দারিদ্র কত দুঃখদায়ক এবং তাই সে কখনও চায় না যে, অন্য মানুষেরাও তার মতো দুঃখময় স্থিতিতে থাকুক। যার শরীর কখনও কন্টকে বিদ্ধ হয়েছে, সেই ব্যক্তি অন্য কন্টকবিদ্ধ বক্তির মুখ দেখে তার বেদনা উপলব্ধি করতে পারে। সকলেরই বেদনা যে সমান সেই কথা বুঝতে পেরে সে চায় যে, কেউই যেন এইভাবে কষ্ট না পায়। কিন্তু যে ব্যক্তি কখনও কন্টকবিদ্ধ হয়নি, সে কখনও সেই বেদনা বুঝতে পারে না। দরিদ্র ব্যক্তি স্বভাবতই তপস্যা করে। কারণ তার কাছে ধন না থাকায় সে সর্বদাই অভাবগ্রস্ত। তার ফলে তার অহঙ্কার দূর হয়ে যায়। সর্বদা অন্ন, বস্ত্র ইত্যাদি অভাবের ফলে, দৈবক্রমে যা লাভ হয় তা নিয়ে তাকে সন্তুষ্ট থাকতে হয়। এই প্রকার বাধ্যতামূলক তপস্যা তার পক্ষে মঙ্গলজনক, কারণ তা তাকে সর্বতোভাবে অহঙ্কার থেকে মুক্ত করে। সর্বদা ক্ষুধার্ত, অন্নাভিলাষী দরিদ্র ব্যক্তি ক্রমশ দুর্বল হয়ে যায়। অতিরিক্ত বল না থাকার ফলে তার ইন্দ্রিয়গুলি আপনা থেকেই স্থির হয়ে যায়। দরিদ্র ব্যক্তি তাই ক্ষতিকারক, হিংসাত্মক কার্যকলাপ করতে পারে না। অর্থাৎ, সাধুরা স্বতঃপ্রবৃত্তি হয়ে যে তপস্যা করেন, তার ফল এই প্রকার ব্যক্তি আপনা থেকেই প্রাপ্ত হয়। সমদর্শী সাধুরা দরিদ্রদেরই সঙ্গ করেন, ধনীদের সঙ্গ করেন না। দরিদ্র ব্যক্তি সৎসঙ্গের প্রভাবে অচিরেই জড় বিষয়ের প্রতি উদাসীন হয় এবং তার হৃদয় সমস্ত কলুষ থেকে মুক্ত হয়। সাধুরা দিনের মধ্যে চব্বিশ ঘন্টই শ্রীকৃষ্ণের চিন্তায় মগ্ন থাকেন। তাঁদের আর কোন অভিলাষ নেই। এই প্রকার মহাত্মাদের সঙ্গ উপেক্ষা করে মানুষ কেন অভক্তদের শরণাগত হয়ে দাম্ভিক ধনবান বিষয়াসক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গ করবে? তাই, এই দুটি অজিতেন্দ্রিয় ব্যক্তি বারুণী অথবা মাধ্বী নামক মদিরা পানে মত্ত হয়ে এবং স্বর্গীয় ঐশ্বর্য লাভের গর্বে অন্ধ হয়ে স্ত্রী সঙ্গের প্রতি অত্যন্ত আসক্ত হয়েছে। আমি এদের অজ্ঞানজনিত মত্ততা দূর করব। নলকূবর এবং মণিগ্রীব- এই দুটি যুবক ভাগ্যক্রমে মহান দেবতা কুবেরে পুত্র, কিন্তু মিথ্যা অহঙ্কার এবং সুরাপানে উন্মত্ত হওয়ার ফলে তারা এতই অধঃপতিত হয়েছে যে, তারা নগ্ন হওয়া সত্ত্বেও বুঝতে পারছে না যে, তারা নগ্ন। যেহেতু তারা বৃক্ষের মতো বিরাজ করছে (কারণ বৃক্ষ নগ্ন কিন্তু তার কোন চেতনা নেই), তাই এই যুবক দুটি বৃক্ষের শরীর প্রাপ্ত হবে। এটিই তাদের উপযুক্ত দণ্ড হবে। কিন্তু বৃক্ষ হওয়ার পর এবং মুক্ত হওয়া পর্যন্ত আমার কৃপায় তাদের পূর্বকৃত পাপকর্মের কথা তাদের মনে থাকবে। অধিকন্তু, আমার বিশেষ কৃপায় এক শত দিব্য বৎসরের পর তারা ভগবান বাসুদেবকে প্রত্যক্ষভাবে দর্শন করবে এবং কৃষ্ণভক্তি পরায়ণ হবে।”
শ্রীল শুকদেব গোস্বামী বললেন- “এইভাবে বলে দেবর্ষি নারদ নারায়ণ-আশ্রম নামক তাঁর আশ্রমে গমন করেছিলেন এবং নলকূবর ও মণিগ্রীব যমজ অর্জুন বৃক্ষ হয়েছিলেন। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ তাঁর শ্রেষ্ঠ ভক্ত নারদ মুনির বাক্যের সত্যতা সম্পাদনের জন্য যেখানে যমজ অর্জুন বৃক্ষ ছিল, ধীরে ধীরে সেখানে গমন করলেন। “যদিও এরা দুজন মহাধনবান কুবেরের পুত্র এবং তাদের সম্পর্কে আমার করণীয় কিছুই নেই, তবুও নারদ মুনি আমার অতি প্রিয় ভক্ত এবং যেহেতু সে চেয়েছে যে, আমি তাদের সম্মুখে আসি এবং তাদের উদ্ধার করি, তাই আমি তা করব।” এই বলে শ্রীকৃষ্ণ অর্জুন বৃক্ষ দুটির মাঝখানে প্রবেশ করেছিলেন এবং যে উদূখলটির সঙ্গে তাঁকে বাঁধা হয়েছিল, তা বক্রভাবে বৃক্ষ দুটির মধ্যে আটকে গিয়েছিল। তাঁর উদরে বাঁধা উদূখলটিকে বলপূর্বক আকর্ষণ করে বালক শ্রীকৃষ্ণ বৃক্ষ দুটিতে উৎপাটিত করেছিলেন। পরম পুরুষের বিক্রমে কাণ্ড, পল্লব এবং শাখাসহ বৃক্ষ দুটি প্রবলভাবে কম্পিত হতে হতে প্রচণ্ড শব্দ সহকারে ভূমিতে পতিত হয়েছিল। তারপর, যেখানে অর্জুন বৃক্ষ দুটি ভূপতিত হয়েছিল, সেখানে বৃক্ষ দুটির মধ্যে থেকে মূর্তিমান অগ্নির মতো দুই মহাপুরুষ নির্গত হয়েছিলেন। তাঁদের সৌন্দর্যের ছটায় সর্বদিক আলোকিত হয়েছিল এবং তাঁরা অবনত মস্তকে শ্রীকৃষ্ণকে প্রণতি নিবেদন করে কৃতাঞ্জলি সহকারে বলেছিলেন, ‘হে কৃষ্ণ, হে কৃষ্ণ আপনার যোগৈশ্বর্য অচিন্ত্য। আপনি পরম পুরুষ, জগতের নিমিত্ত এবং উপাদান কারণ এবং আপনি এই জড় সৃষ্টির অতীত। ব্রহ্মজ্ঞানীরা (সর্বং খল্বিদং ব্রহ্ম আদি বৈদিক উক্তির ভিত্তিতে) জানেন যে, স্থূল এবং সূক্ষ্ণরূপে এই জগৎ আপনারই প্রকাশ। আপনিই সব কিছুর নিয়ন্তা ভগবান। আপনিই প্রতিটি জীবের দেহ, প্রাণ, অহঙ্কার এবং ইন্দ্রিয়ের নিয়ন্তা। আপনি পরম-পুরুষ, বিষ্ণু, অব্যয় ঈশ্বর। আপনি কাল, নিমিত্ত কারণ এবং ত্রিগুণাত্মিকা প্রকৃতি। আপনি এই জড় জগতের আদি কারণ। আপনি পরমাত্মা এবং তাই আপনি প্রতিটি জীবের হৃদয়ের সমস্ত বিষয়ের জ্ঞাতা। হে ভগবান, আপনি সৃষ্টির পূর্বে বিরাজমান ছিলেন। তাই, এই জড় জগতে গুণময় দেহে আবদ্ধ কোন্ জীব আপনাকে জানতে পারে? হে ভগবান, আপনার মহিমা আপনার শক্তির দ্বারা আচ্ছাদিত। আপনি সৃষ্টির মূল সঙ্কর্ষণ এবং চতুর্ব্যূহের আদি বাসুদেব। যেহেতু আপনি সব কিছু এবং তাই আপনি পরমব্রহ্ম, আমরা আপনাকে আমাদের সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি। মৎস্য, কূর্ম, বরাহ আদি শরীরে আবির্ভূত হয়ে, এই সমস্ত প্রাণীদের পক্ষে অসম্ভব- যা অসামান্য, অতুলনীয় অসীম শক্তি সমন্বিত, সেই দিব্য কার্যকলাপ আপনি প্রদর্শন করেন। অতএব আপনার এই শরীর জড় উপাদানের দ্বারা গঠিত নয়, পক্ষান্তরে তা আপনার অবতার। আপনি সেই পরমেশ্বর ভগবান, এই জগতের সমস্ত জীবদের মঙ্গল সাধনের জন্য পূর্ণ শক্তিসহ আবির্ভূত হয়েছেন। হে পরম কল্যাণময়, আমরা আপনাকে আমাদের সশ্রদ্ধ প্রণনি নিবেদন করি। হে পরম মঙ্গল, আপনাকে প্রণাম করি। হে যদুপতি বাসুদেব এবং শান্তস্বরূপ, আপনাকে প্রণাম করি। হে বিশ্বস্বরূপ, আমরা আপনার অনুচর নারদ মুনির ভৃত্য। এখন আপনি আমাদের গৃহে প্রত্যাবর্তনের অনুমতি দিন। নারদ মুনির কৃপায় আমরা আপনার সাক্ষাৎকার লাভ করেছি। এখন থেকে আমাদের বাক্য আপনার লীলা কীর্তনে, শ্রবণ যুগল আপনার মহিমা শ্রবণে, হাত-পা এবং অন্যান্য ইন্দ্রিয় আপনার প্রীতিজনক কার্যে, মন আপনার পাদপদ্ম স্মরণে, মস্তক এই নিখিল ব্রহ্মাণ্ডের প্রণামে (কারণ সমস্ত বস্তুই আপনারই বিভিন্ন রূপ) এবং চক্ষু আপনার থেকে অভিন্ন বৈষ্ণবদের দর্শনে রত থাকুক।’ ”
শ্রীল শুকদেব গোস্বামী বললেন- “এইভাবে সেই দুজন দেবতা ভগবানের স্তব করেছিলেন। শ্রীকৃষ্ণ যদিও সর্বলোকমহেশ্বর, বিশেষ করে গোকুলেশ্বর ভগবান, তবুও মা যশোদা তাঁকে উদূখলে বেঁধে রেখেছিলেন এবং তাই হাসতে হাসতে তিনি কুবেরের পুত্র দুজনকে বলেছিলেন, ‘দেবর্ষি নারদ অত্যন্ত কৃপাময়। ধনমদে অন্ধ তোমাদের দুজনকে অভিশাপ দিয়ে তিনি তোমাদের প্রতি তাঁর মহৎ কৃপা প্রদর্শন করেছেন। যদিও তোমরা স্বর্গলোক থেকে অধঃপতিত হয়ে বৃক্ষযোনি প্রাপ্ত হয়েছিলে তবুও তোমরা তাঁর দ্বারা অনুগৃহীত হয়েছ। আমি এই সমস্ত বিষয়ে প্রথম থেকেই অবগত ছিলাম। সূর্যের দর্শনে যেভাবে চক্ষুর অন্ধকার দূরীভূত হয়, তেমনই ঐকান্তিকভাবে আমার শরণাগত এবং আমার সেবায় কৃতসঙ্কল্প ভক্তের সাক্ষাৎকারের ফলে, কারও আর জড় বন্ধন থাকতে পারে না। নলকূবর এবং মনিগ্রীব, তোমরা দুজনে এখন গৃহে ফিরে যেতে পার। তোমরা যেহেতু সর্বদা আমার ভক্তিতে মগ্ন হতে চেয়েছিলে, তাই আমার প্রতি তোমাদের প্রেমলাভ করার বাসনা পূর্ণ হবে এবং এখন আর সেই স্তর থেকে তোমাদের কখনও অধঃপতন হবে না।’ ”
শ্রীল শুকদেব গোস্বামী বললেন- “ভগবান সেই দুজন দেবতাকে এইভাবে বললে, তাঁরা উদূখলে বদ্ধ ভগবানকে প্রদক্ষিণপূর্বক বার বার প্রণাম করে, ভগবানের অনুমতি নিয়ে তাঁদের গৃহে প্রস্থান করেছিলেন।”
দশম অধ্যায়- যমলার্জুন বৃক্ষ উদ্ধার
21 Jun 2026 Leave a comment
in অমল পুরান, দশম স্কন্ধ- আশ্রয়