একচত্বারিংশ অধ্যায়- কৃষ্ণ ও বলরামের মথুরায় প্রবেশ

শ্রীল শুকদেব গোস্বামী বললেন- “অক্রূর যখন স্তব নিবেদন করছিলেন পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ জলমধ্যে প্রকাশিত তাঁর স্বীয় রূপ প্রত্যাহার করে নিলেন। ঠিক যেভাবে কোনও অভিনেতা তার অভিনয়ের পরিসমাপ্তি করে। অক্রূর সেই দৃশ্য অন্তর্হিত হলে জল থেকে উঠে সত্বর তাঁর বিবিধ অবশ্য কর্তব্য কর্ম সকল সমাপন করে আশ্চর্যান্বিত হয়ে রথে প্রত্যাবর্তন করলেন।”
শ্রীকৃষ্ণ অক্রূরকে জিজ্ঞাসা করলেন- “ভূমি, আকাশ বা জলে তুমি অদ্ভুত কিছু দর্শন করেছ কি? তোমাকে দেখে আমাদের তেমনই মনে হচ্ছে।”
শ্রীঅক্রূর বললেন- “ভুমি, আকাশ বা জলে যত অদ্ভুত বস্তুই থাক, তার সকলই আপনাতে বিদ্যমান। যেহেতু সমস্ত কিছুই আপনার মধ্যে নিহিত রয়েছে, তাই আমি যখন আপনাকে দর্শন করি, তখন আমার আর দর্শনের কিই বা অবশিষ্ট থাকে? হে পরমব্রহ্ম, ভূমি, আকাশ ও জলের, সকল অদ্ভুত বস্তুই যাঁর মধ্যে বর্তমান, আমি এখন সেই আপনাকে দর্শন করছি, এই জগতে আর কি অদ্ভুত বস্তু আমি দর্শন করতে পারি? এই কথা বলে গান্দিনীপুত্র অক্রূর রথ চালনা শুরু করলেন। অপরাহ্নে শ্রীবলরাম ও শ্রীকৃষ্ণকে নিয়ে তিনি মথুরায় উপস্থিত হলেন। তাঁরা যে সকল পথ দিয়ে গমন করছিলেন, হে রাজন, সেখানেই গ্রামবাসীরা কাছে এসে অত্যন্ত আনন্দ সহকারে বসুদেবনন্দন দুজনকে দর্শন করছিল। প্রকৃতপক্ষে, গ্রামবাসীরা তাঁদের থেকে চোখ ফেরাতে পারছিল না। নন্দ মহারাজ ও অন্যান্য বৃন্দাবনবাসীগণ রথ পৌছানোর পূর্বেই মথুরায় এসে নগরীর উপকন্ঠের একটি বাগানে কৃষ্ণ ও বলরামের অপেক্ষায় অবস্থান করছিলেন। নন্দ মহারাজ ও অন্যান্যদের সঙ্গে মিলিত হবার পর জগদীশ্বর, ভগবান কৃষ্ণ বিনীতভাবে অক্রূরের হাতে তাঁর নিজের হাতে গ্রহণ করে হাসতে হাসতে বললেন ‘আমাদের আগেই রথ নিয়ে তুমি নগরীতে প্রবেশ কর। অতঃপর গৃহে গমন কর। আমরা এখানে কিছুক্ষণ বিশ্রাম গ্রহণ করে নগর দর্শনে গমন করব।”
শ্রীঅক্রূর বললেন- “হে প্রভু, আপনাদের দুজনকে ছাড়া আমি মথুরায় প্রবেশ করব না। হে নাথ, আমি আপনার ভক্ত আর যেহেতু আপনি ভক্তবৎসল তাই আমাকে পরিত্যাগ করা আপনার উচিত নয়। চলুন, আপনার জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা, গোপগণ ও আপনার সুহৃদবর্গ সহ আমরা আমার গৃহে যাই। হে সুহৃত্তম, হে অধোক্ষজ, এইভাবে আমার গৃহের প্রভুরূপে সেটিকে কৃপা করুন। আমি এক সামান্য গৃহমেধী, তাই কৃপা করে আপনার পাদপদ্মের ধুলি দিয়ে আমার গৃহটিকে পবিত্র করুন। এই পবিত্রকরণের ফলে আমার পিতৃপুরুষেরা, যজ্ঞাগ্নি ও দেবগণসহ সকলেই তৃপ্ত হবেন। আপনার পাদপ্রক্ষালন করে মহামতি বলি মহারাজ কেবলমাত্র পুণ্যকীর্তি ও অতুল ঐশ্বর্যই প্রাপ্ত হয়েছিলেন, তাই নয়- তিনি শুদ্ধ ভক্তের পরমগতিও লাভ করেছেন। আপনার চরণধৌত অপ্রাকৃত গঙ্গা নদীর জল ত্রিভুবনকে পবিত্র করেছে। স্বয়ং শিব তাঁর মস্তকে সেই জল ধারণ করেছেন এবং সেই জলের কৃপায় সগর রাজার পুত্রগণ স্বর্গ লাভ করেছিলেন। হে দেবদেব! হে জগন্নাথ! হে পুণ্য-শ্রবণ-কীর্তন! হে যদুশ্রেষ্ঠ! হে উত্তমশ্লোক-বন্দিত! হে পরমেশ্বর ভগবান নারায়ণ, আপনাকে আমার প্রণাম নিবেদন করি।”
পরমেশ্বর ভগবান বললেন- “আমি আমার জ্যেষ্ঠ ভ্রাতার সঙ্গে তোমার গৃহে আগমন করব, কিন্তু প্রথমে আমি অবশ্যই যদু-মণ্ডলের শত্রুকে হত্যা করে আমার সুহৃদগণকে আনন্দ প্রদান করব।”
শ্রীল শুকদেব গোস্বামী বললেন- “ভগবান এইভাবে বললে, অক্রূর ভারাক্রান্ত হৃদয়ে নগরীতে প্রবেশ করলেন। তিনি রাজা কংসকে নিজ কর্মের সফলতা বিষয়ে অবহিত করে গৃহে গমন করলেন। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ মথুরা দর্শন বাসনায় অপরাহ্নে শ্রীবলরাম ও গোপবালকগণকে তাঁর সঙ্গে নিয়ে নগরীতে প্রবেশ করলেন। মথুরায় ভগবান স্ফটিক নির্মিত সুউচ্চ গোপুর ও গৃহদ্বার দর্শন করলেন যার তোরণ ও প্রধান ফটকগুলি স্বর্ণ নির্মিত, ধান্যাগার ও অন্যান্য সংগ্রহালয়সমূহ তামা ও পিতল নির্মিত এবং যার পরিখাগুলি অতি দুর্গম। মনোরম পুষ্পপ্রধান ও ফলপ্রধান বাগান দ্বারা নগরীটি সুশোভিত। প্রধান চতুষ্পথটি স্বর্ণে সজ্জিত এবং সেখানে শিল্পোজীবিগণের উপবেশন স্থান ও অন্যান্য অট্টালিকা সহ ব্যক্তিগত আরামের জন্য উদ্যানও রয়েছে। ময়ূর ও পোষা পায়রার ধ্বনিতে মথুরা মুখরিত, যারা গবাক্ষের রন্ধ্রপথে, মণিবদ্ধ মেঝেতে, গৃহ সম্মুখের বেদীতে এবং গৃহাগ্রভাগের কাঠের বক্র আচ্ছাদনে বসে থাকত। এই সমস্ত বেদী ও কাঠের বক্র আচ্ছাদন সমূহ বৈদূর্য, হীরক, স্ফটিক, নীলকান্তমণি দ্বারা বিদ্রুম, মুক্তা ও মরকতমণি দ্বারা অলঙ্কৃত ছিল। সকল রাজপথ ও পণ্য-বীথিকাসমূহ জলে সিক্ত থাকত এবং পথের ধার ও অঙ্গনসমূহ সর্বত্র ফুল মালা, অঙ্কুর, লাজ ও তণ্ডুল বিক্ষিপ্ত ছিল। গৃহের প্রবেশদ্বারসমূহ আম্রপল্লবে সজ্জিত, চন্দন চর্চিত, দধি অনুলেপিত জলপূর্ণ কলসে বিস্তারিতভাবে শোভিত ছিল এবং ফুলদল ও পট্টিকা দ্বারা বেষ্টিত ছিল। কলসীর নিকটেই পতাকা, দীপমালা, ফলগুচ্ছ সমন্বিত কদলী ও সুপারী বৃক্ষ ছিল। তাঁদের গোপ-বালক সহচরগণ পরিবৃত হয়ে তাঁরা নগরীর রাজপথে প্রবেশ করলে মথুরার নারীগণ সত্বর সমবেত হয়ে বসুদেবের দুই পুত্রকে দর্শন করার জন্য নির্গত হলেন। হে রাজন, কোন কোন নারী তাঁদের দর্শন করার জন্য অতি উৎসুক হয়ে তাঁদের গৃহের উপরে আরোহণ করেছিলেন। কোন কোন নারী তাঁদের বস্ত্র ও আভরণ বিপর্যস্তভাবে পরিধান করেছিলেন, অন্যরা তাঁদের একটি করে কর্ণকুণ্ডল ও নূপুর ধারণ করতে বিস্মৃত হয়েছিলেন আর অপর নারীগণ একটি নেত্রে অঞ্জন ধারণ করলেন, কিন্তু অন্যটিতে করলেন না। যাঁরা ভোজন করছিলেন, তাঁরা তা পরিত্যাগ করলেন, কেউ কেউ তাঁদের স্নান বা তৈলমর্দন অসমাপ্ত রেখেই নির্গত হলেন, যে সকল নারীরা নিদ্রিত ছিলেন, সহসা জন কোলাহল শ্রবণ করে উত্থিত হলেন এবং মায়েরা যাঁরা শিশুদের স্তন্য দান করছিলেন, তাঁরা শিশুদের একেবারেই সরিয়ে রাখলেন। নিজ প্রগল্‌ভ লীলা স্মরণ করে হাস্যযুক্ত কমল-লোচন ভগবানের অবলোকনের দ্বারা সেই সব নারীদের মন মুগ্ধ হয়েছিল। লক্ষ্ণীদেবীর আনন্দের উৎস তাঁর দিব্য দেহ দ্বারা মত্ত গজেন্দ্রতুল্য বিক্রমশালী পদচারণা করে তিনি তাঁদের নয়নোৎসবের সৃষ্টি করেছিলেন। মথুরার নারীগণ বার বার কৃষ্ণ সম্বন্ধে শ্রবণ করেছিলেন আর তাই তাঁকে দর্শন করা মাত্র তাঁদের হৃদয় দ্রবীভূত হয়েছিল। তিনি তাঁদের উপর তাঁর উদ্‌গত হাস্য ও দৃষ্টিপাতের অমৃত সিঞ্চন করায় তাঁরা সম্মানিত বোধ করেছিলেন। নয়নের মাধ্যমে তাঁকে তাঁদের হৃদয়ে গ্রহণ করে আনন্দময় বিগ্রহ স্বরূপ তাঁকে তাঁরা আলিঙ্গন করে রোমাঞ্চিত হলেন। হে শত্রুদমনকারী, এইভাবে তাঁর অনুপস্থিতিজনিত অনন্ত মনোব্যথা তাঁরা বিস্মৃত হয়েছিলেন। প্রাসাদ শিখরে আরোহণকারী প্রীতি উৎফুল্লিত-বদনকমল যুক্তা রমণীগণ শ্রীবলরাম ও শ্রীকৃষ্ণের উপর পুষ্প বর্ষণ করেছিলেন। পথিমধ্যে সর্বত্র দণ্ডায়মান ব্রাহ্মণগণ দধি, অভগ্ন যব, জলপূর্ণ ঘট, মালা, গন্ধ দ্রব্য যেমন চন্দন ও পূজার অন্যান্য উপকরণ সহযোগে তাঁদের অর্চনা করেছিলেন। মথুরার নারীগণ উচ্চৈঃস্বরে বললেন- আহা, গোপীগণ কি মহা-তপস্যাই না জানি করেছিলেন যার ফলে নরলোকের পরমানন্দের উৎসস্বরূপ কৃষ্ণ ও বলরামকে নিরন্তর দর্শন করেন!”
“বস্ত্ররঞ্জক এক রজককে আসতে দেখে কৃষ্ণ তার কাছে ধৌত উত্তম বস্ত্র প্রার্থনা করে বললেন- “দানের যোগ্য পাত্র আমাদের দু’জনকে উপযুক্ত বস্ত্র দান কর। তুমি যদি এই দান কর, তা হলে নিঃসন্দেহে তোমার পরম মঙ্গল হবে।’ এইভাবে পূর্ণব্রহ্ম ভগবান কর্তৃক প্রার্থিত হয়ে সেই উদ্ধত রাজভৃত্য ক্রুদ্ধ হয়ে ভর্ৎসনা করে উত্তর দিল- ‘তোমরা নির্লজ্জ বালক! তোমরা পাহাড়ে বনে ঘুরে বেড়াতে অভ্যস্ত আর তোমরা কি না এই ধরনের বস্ত্র পরিধানের ধৃষ্টতা করছ! এই সমস্ত রাজদ্রব্য তোমরা প্রার্থনা করছ! হে মূর্খগণ, সত্বর এখান থেকে চলে যাও। যদি তোমাদের বাঁচবার আকাঙ্ক্ষা থাকে, তা হলে এভাবে প্রার্থনা কর না। যখন কেউ অত্যন্ত উদ্ধত হয়ে ওঠে, রাজপুরুষেরা তাকে বন্ধন করে বধ করে এবং তার সমস্ত সম্পত্তি হরণ করে।’ রজকের এরূপ আত্মশ্লাঘাপরায়ণ কথায় দেবকীনন্দন ক্রুদ্ধ হয়ে শুধুমাত্র তাঁর করাগ্র দ্বারা তিনি তার মস্তক দেহ হতে বিচ্ছিন্ন করলেন। রজকের অনুজীবিগণ তাদের সকল বস্ত্রের পেটকগুলি পথে ফেলে দিয়ে চতুর্দিকে পলায়ন করল। তখন ভগবান কৃষ্ণ বস্ত্রগুলি গ্রহণ করলেন। কৃষ্ণ ও বলরাম তাদের বিশেষ পছন্দের দুটি বস্ত্র পরিধান করলেন এবং তারপর কতকগুলি ভূমিতে নিক্ষেপ করে অবশিষ্ট বস্ত্র গোপবালকদের মধ্যে বিতরণ করলেন।”
“অতঃপর এক তন্তুবায় তাঁদের দুজনের প্রতি স্নেহ অনুভব করে অগ্রসর হয়ে বিচিত্র বর্ণের চেলবস্ত্রভূষণ দিয়ে তাঁদের পোশাক সুন্দরভাবে সজ্জিত করল। বিচিত্র ভূষণ সমন্বিত তাঁদের নিজ নিজ অনুপম বসনে কৃষ্ণ ও বলরামকে সমুজ্জ্বল দেখাচ্ছিল। তাঁদের যেন উৎসব উপলক্ষ্যে সুসজ্জিত শ্বেত ও কৃষ্ণ বর্ণের দুটি হস্তীশাবকের মতো মনে হচ্ছিল। তন্তুবায়ের প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে ভগবান কৃষ্ণ তাকে সারূপ্য মুক্তি ও ইহলোকে পরম ঐশ্বর্য, বল, প্রভাব, স্মৃতি ও ইন্দ্রিয় পটুতার আশিস প্রদান করলেন। তাঁরা দুজনে অতঃপর মালাকার সুদামার গৃহে গমন করলেন। তাঁদের দর্শন করা মাত্র সুদামা উঠে দাঁড়াল এবং পরে ভূমিতে মস্তক অবনত করে প্রণাম নিবেদন করল। তাঁদের আসন নিবেদন করে ও তাঁদের পাদ-প্রক্ষালন করার পর সুদামা অর্ঘ্য, মালা, তাম্বুল, অনুলেপন ও অন্যান্য উপচারে তাঁদের ও তাঁদের সহচরগণের অর্চনা করল। ‘হে প্রভো, এখন আমাদের জন্ম সার্থক হয়েছে এবং আমার কুল পবিত্র হয়েছে। এখন আপনাদের দু’জনের এখানে আগমনে অবশ্যই আমার সকল পিতৃপুরুষগণ, দেবতাগণ ও ঋষিগণ আমার প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন। আপনারা দু’জনে সমগ্র ব্রহ্মাণ্ডের পরম কারণ স্বরূপ। এই জগতের উদ্ধার ও মঙ্গল প্রদানের জন্য আপনারা আপনাদের অংশ প্রকাশ সহ অবতরণ করেছেন। যেহেতু আপনারা সমগ্র ব্রহ্মাণ্ডের পরমাত্মা ও সুহৃদ, সকলের প্রতিই আপনাদের দৃষ্টি সমভাবাপন্ন। অতএব, যদিও আপনারা আপনাদের ভক্তের প্রেমময়ী ভজনার প্রতি-ভজনা করেন, আপনারা সকল সময়েই সকল জীবের প্রতি বৈষম্যভাবহীন। দয়া করে আমাকে, আপনাদের এই ভৃত্যকে আপনারা যা খুশি নির্দেশ করুন। আপনাদের দ্বারা যে কোন কর্মে নিযুক্ত হওয়া নিশ্চিতভাবে যে কোন ব্যক্তির পক্ষে মহা-আশীর্বাদ স্বরূপ।’ হে রাজেন্দ্র, এই কথা বলে সুদামা কৃষ্ণ ও বলরামের অভিপ্রায় হৃদয়ঙ্গম করে অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে তাঁদের দুজনকে প্রশস্ত, সুগন্ধি ফুলের মালা নিবেদন করলেন। সেই মালাসমূহ সুন্দররূপে বিভূষিত হয়ে তাঁদের সহচরণগণ সহ কৃষ্ণ ও বলরাম অত্যন্ত প্রীত হলেন। তাঁরা দুজনে শরণাগত ও তাদের সম্মুখে প্রণত সুদামাকে তার বাঞ্ছিত বর প্রদান করলেন। সুদামা, অখিলাত্মা ভগবান কৃষ্ণের প্রতি অচলাভক্তি, তাঁর ভক্তজনের সঙ্গে সৌহার্দ্য ও সর্বভূতে অপ্রাকৃত করুণা প্রার্থনা করলেন। শ্রীকৃষ্ণ সুদামাকে কেবল এই সকল বরই অনুমোদন করলেন, তাই নয়, সেই সঙ্গে তিনি তাকে বংশপরম্পরাক্রমে বৃদ্ধিশীল ঐশ্বর্য, বল, আয়ু, যশ, কান্তি প্রদান করলেন। অতঃপর কৃষ্ণ ও তাঁর অগ্রজ সহ প্রস্থান করলেন।”

Leave a Reply

September 2026
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  

Blog Stats

  • 140,942 hits