সপ্তম অধ্যায়- তৃণাবর্তাসুর বধ

মহারাজ পরীক্ষিৎ বললেন- “হে প্রভু, হে শ্রীল শুকদেব গোস্বামী! ভগবান তাঁর বিভিন্ন অবতারে যে সমস্ত লীলা প্রদর্শন করেছেন, তা অবশ্যই কর্ণেন্দ্রিয় এবং মনের তৃপ্তিজনক। এই সমস্ত লীলা বিলাসের কথা শ্রবণ করার ফলেই কেবল মনের সমস্ত কলুষ তৎক্ষণাৎ দূর হয়ে যায়। সাধারণত ভগবানের লীলা-বিলাসের কথা শ্রবণে আমাদের রুচি নেই, কিন্তু শ্রীকৃষ্ণের বাল্যলীলা এতই আকর্ষণীয় যে, আপনা থেকেই মন এবং কর্ণের আনন্দ বিধান করে। তার ফলে সংসার-বন্ধনের মূল কারণস্বরূপ জড় বিষরে সম্বন্ধে শ্রবণে সমস্ত আগ্রহ তৎক্ষণাৎ দূর হয়ে যায় এবং ক্রমশ ভগবদ্ভক্তির বিকাশ হয়, ভগবানের প্রতি আসক্তির উদয় হয় এবং ভক্তের প্রতি মৈত্রী হয়। আপনি যদি উপযুক্ত মনে করেন, তা হলে দয়া করে ভগবানের সেই সমস্ত লীলা কীর্তন করুন। এই পৃথিবীতে অবতরণপূর্বক ভগবান শ্রীকৃষ্ণ নরশিশুর অনুকরণ করে পুতনা-বধ আদি যে সমস্ত অদ্ভুত লীলা-বিলাস করেছিলেন, তাঁর সেই সমস্ত লীলা দয়া করে বর্ণনা করুন।”
শ্রীল শুকদেব গোস্বামী বললেন- “শিশুর তির্যকভাবে শয়ন করার চেষ্টাকে উত্থান বলা হয়। সেই সময় শিশু প্রথম গৃহ থেকে নির্গত হয়। এই উপলক্ষে শিশুকে অভিষেক সহকারে এক অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। শ্রীকৃষ্ণের তিন মাস পূর্ণ হলে, মা যশোদা প্রতিবেশী রমণীদের নিয়ে এই অনুষ্ঠান সম্পাদন করেছিলেন। সেই দিন চন্দ্র এবং রোহিণী নক্ষত্রের যোগ হয়েছিল। ব্রাহ্মণেরা বৈদিক মন্ত্র পাঠ করেছিলেন এবং গায়কেরা বাদ্যযন্ত্র সহকারে গান করেছিলেন। শিশুটির অভিষেক উৎসব সম্পাদন হলে মা যশোদা ব্রাহ্মণদের যথেষ্ঠ খাদ্যশস্য এবং আহার্য প্রদানপূর্বক বস্ত্র, ধেনু এবং মালা দান করে শ্রদ্ধা সহকারে পূজা করেছিলেন। ব্রাহ্মণেরা সেই শুভ অনুষ্ঠানে বৈদিক মন্ত্র পাঠ করেছিলেন এবং তাঁদের মন্ত্র পাঠ শেষ হলে মা যশোদা যখন দেখলেন যে, শিশুটির ঘুম পেয়েছে, তখন তিনি তাঁকে ধীরে ধীরে শয্যায় শয়ন করিয়েছিলেন, যাতে সে সুখে নিদ্রা যেতে পারে। উদার হৃদয়া মা যশোদা উত্থান উৎসব অনুষ্ঠানে মগ্ন হয়ে অতিথিদের বস্ত্র, গাভী, মালা, শস্য ইত্যাদি দান করে তাঁদের সম্মানকার্যে ব্যস্ত ছিলেন। তাই তিনি শ্রীকৃষ্ণের ক্রন্দনের শব্দ শুনতে পাননি। তখন শিশু কৃষ্ণ তাঁর মায়ের স্তন পান করার জন্য ক্রন্দন করতে করতে তাঁর চরণযুগল ক্রোধে ঊর্ধ্বদিকে নিক্ষেপ করতে লাগলেন। শ্রীকৃষ্ণ একটি শকটের নীচে শায়িত ছিলেন এবং তাঁর পা দুটি যদিও ছিল পল্লবের মতো কোমল, তবুও তাঁর পায়ের আঘাতে শকটটি প্রচণ্ড শব্দে উল্টে গিয়ে ভেঙ্গে গেল। তার চাকা দুটি অক্ষ থেকে বিপর্যস্ত হল, জোয়াল ভগ্ন হল এবং বিভিন্ন ধাতু নির্মিত সমস্ত বাসনপত্র শকট থেকে ইতস্তত বিক্ষিপ্ত হয়ে পড়ল।”
“মা যশোদা এবং ঔত্থানিক উৎসবে সমাগত ব্রজনারীরা এবং নন্দ মহারাজ প্রমুখ ব্রজবাসীরা যখন সেই অদ্ভুত কর্ম দর্শন করেছিলেন, তখন তাঁরা অত্যন্ত আশ্চর্য হয়ে ভাবতে লাগলেন- সেই শকটটি কিভাবে আপনা থেকেই ভেঙ্গে গেল। তাঁরা ইতস্তত তার কারণ অনুসন্ধান করার চেষ্টা করেও তা খুঁজে পেলেন না। কিভাবে তা ঘটেছে সেই সম্বন্ধে সমবেত গোপ এবং গোপীরা চিন্তা করতে শুরু করেছিলেন। তাঁরা জিজ্ঞাসা করেছিলেন, “এটি কি কোন দৈত্য বা দুষ্ট গ্রহের কর্ম?” তখন সেখানে উপস্থিত শিশুরা বলেছিল যে, শিশু-কৃষ্ণই ক্রন্দন করতে শুরু করে শকটের চাকায় পদাঘাত করেছিল এবং তার ফলে শকটটি ঊর্ধ্বে নিক্ষিপ্ত হয়ে বিধ্বস্ত হয়েছে। সেই সম্বন্ধে কোন সন্দেহ নেই। সেখানে সমবেত গোপ এবং গোপীরা শ্রীকৃষ্ণের অনন্ত শক্তি সম্বন্ধে অবগত ছিলেন না, তাই তাঁরা বিশ্বাস করতে পারেননি যে, শিশু-কৃষ্ণের এই প্রকার অচিন্ত্য শক্তি রয়েছে। তাঁরা বালকদের উক্তি বিশ্বাস করতে পারলেন না এবং তাই সেটি বালকদের উক্তি বলে তাঁরা তা অবজ্ঞা করেছিলেন। কোন দুষ্ট গ্রহ কৃষ্ণকে অvক্রমণ করেছে বলে মনে করে, মা যশোদা ক্রন্দনরত শিশুটিকে তাঁর কোলে তুলে নিয়েছিলেন এবং তাঁকে তাঁর স্তন্যপান করিয়েছিলেন। তারপর তিনি অভিজ্ঞ ব্রাহ্মণদের ডেকে এনে বৈদিক মন্ত্র উচ্চারণের দ্বারা স্বস্ত্যয়ন কর্ম সম্পাদন করিয়েছিলেন। তারপর বলবান গোপেরা বাসনপত্র এবং সাজ-সরঞ্জাম সহ সেই শকটটি পূর্বের মতো স্থাপন করলে, ব্রাহ্মণেরা গ্রহশান্তির জন্য প্রথমে হোমক্রিয়া সম্পাদন করেছিলেন এবং তারপর ধান, কুশ, জল এবং দধির দ্বারা ভগবানের পূজা করেছিলেন। যে সমস্ত ব্রাহ্মণ অসূয়া, অসত্য, দম্ভ, ঈর্ষা, হিংসা, অভিমান প্রভৃতি দোষরহিত, তাঁদের আশীর্বাদ কখনও নিষ্ফল হয় না। সেই কথা বিবেচনা করে নন্দ মহারাজ স্থির চিত্তে শ্রীকৃষ্ণকে তাঁর কোলে নিয়ে এই প্রকার সত্যশীল ব্রাহ্মণদের সামবেদ, ঋগ্বেদ এবং যজুর্বেদের মন্ত্র অনুসারে পবিত্র কর্ম অনুষ্ঠান করার জন্য নিমন্ত্রণ করেছিলেন। তারপর সেই সমস্ত মন্ত্র পাঠের পর তিনি পুণ্য ওষধিযুক্ত জলে শিশুটিকে স্নান করিয়েছিলেন এবং তারপর হোমক্রিয়া সম্পাদন করে তিনি ব্রাহ্মনদের অতি উত্তম আহার্য ভোজন করিয়েছিলেন। নন্দ মহারাজ তাঁর পুত্র কৃষ্ণের সমৃদ্ধি বৃদ্ধির জন্য বস্ত্র, ফুলমালা এবং স্বর্ণহারে বিভূষিত গাভীসমূহ ব্রাহ্মণদের দান করেছিলেন। এই সমস্ত গাভীরা প্রচুর পরিমাণে দুধ প্রদান করার ফলে সর্বগুণে গুণান্বিতা ছিল এবং ব্রাহ্মণেরা সেই দান গ্রহণ করে সমগ্র পরিবারকে, বিশেষ করে কৃষ্ণকে আশীর্বাদ করেছিলেন। সেই সমস্ত মন্ত্রজ্ঞ ব্রাহ্মণেরা ছিলেন সিদ্ধযোগী। তাঁদের আশীর্বাদ কখনও নিষ্ফল হয় না।”
“একদিন শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাবের এক বছর পর, মা যশোদা যখন তাঁর পুত্রকে কোলে নিয়ে আদর করছিলেন, তখন হঠাৎ তিনি অনুভব করেছিলেন যেন শিশুটি পর্বতশৃঙ্গ থেকেও ভারী হয়ে গেছে এবং তার ফলে তিনি আর তাঁর ভার বহন করতে সমর্থ হলেন না। শিশুটিকে সমগ্র ব্রহ্মাণ্ডের মতো ভারী বলে অনুভব করে মা যশোদা মনে করেছিলেন যে, হয়ত শিশুটি কোন প্রেতাত্মা বা অসুরের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে। অত্যন্ত আশ্চর্যান্বিতা হয়ে মা যশোদা শিশুটিকে ভূমিতে স্থাপন করে নারায়ণকে স্মরণ করতে শুরু করেছিলেন। বিপদের আশঙ্কা করে তিনি এই ভার প্রশমনের জন্য ব্রাহ্মণদের ডেকেছিলেন এবং তারপর তিনি গৃহস্থালির কার্যে ব্যাপৃত হয়েছিলেন। নারায়ণের শ্রীপাদপদ্ম স্মরণ করা ছাড়া আর কোন উপায় তাঁর জানা ছিল না। কারণ তিনি বুঝতে পারেননি যে, শ্রীকৃষ্ণই হচ্ছে সব কিছুর আদি উৎস।”
“শিশুটি যখন ভূমিতে উপবিষ্ট ছিলেন, তখন কংসের অনুচর তৃণাবর্ত নামক অসুর কংসের দ্বারা প্রেরিত হয়ে ঘূর্ণিঝড়রূপে সেখানে এসে, অনায়াসে শিশুটিকে আকাশে উড়িয়ে নিয়ে গিয়েছিল। সেই অসুরটি ধূলিরাশির দ্বারা সমস্ত গোকুলমণ্ডল আচ্ছন্নপূর্বক সকলের দৃষ্টিশক্তি অপহরণ করে প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড়ের রূপে অত্যন্ত ভয়ঙ্কর শব্দে দিগ্বিদিক নিনাদিত করেছিল। এইভাবে ক্ষণিকের জন্য সমগ্র গোচারণভূমি ধূলিরাশির দ্বারা অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়েছিল এবং মা যশোদা যেখানে শিশুটিকে রেখেছিলেন, সেখানে আর তাঁকে দেখতে পেলেন না। তৃণাবর্ত কর্তৃক নিক্ষিপ্ত বালুকারাশির দ্বারা মোহগ্রস্ত এবং উৎপীড়িত হয়ে কেউই নিজেকে অথবা অন্য কাউকে দর্শন করতে সমর্থ হল না। ঘূর্ণিঝড়ের ফলে ধূলিবর্ষণ হতে থাকলে মা যশোদা তাঁর পুত্রের চিহ্ন মাত্র দর্শন না করতে পেরে, এমন কেন তা হয়েছে তা বুঝতে অসমর্থ হয়ে, তিনি মৃতবৎসা গাভীর মতো ভূমিতে পড়ে অত্যন্ত করুণভাবে বিলাপ করতে লাগলেন। তারপর যখন ধূলিবৃষ্টি নিবৃত্ত হয়েছিল এবং বায়ু শান্তভাব ধারণ করেছিল, তখন মা যশোদার করুণ ক্রন্দন ধ্বনি শ্রবণ করে তাঁর সখী অন্যান্য গোপীরা তাঁর কাছে এসেছিলেন। কৃষ্ণকে না দেখতে পেয়ে তাঁরাও অত্যন্ত অনুতপ্ত চিত্তে অশ্রুপূর্ণ নয়নে মা যশোদার সঙ্গে ক্রন্দন করতে লাগলেন। এক প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের রূপ ধারণ করে তৃণাবর্তাসুর কৃষ্ণকে আকাশের অনেক উপরে নিয়ে গিয়েছিল, কিন্তু কৃষ্ণ যখন অসুরটির থেকে আরও বেশি ভারী হয়েছিলেন, তখন অসুরের গতিবেগ রুদ্ধ হয়েছিল এবং সে আর গমন করতে সমর্থ হল না। শ্রীকৃষ্ণ এইভাবে অত্যন্ত ভারী হয়ে যাওয়ার ফলে তৃণাবর্তের মনে হল সে যেন একটি বিশাল পর্বত অথবা এক প্রকাণ্ড লৌহপিণ্ড। অসুরটি তাঁকে পরিত্যাগ করতে চেষ্টা করেছিল, কিন্তু কৃষ্ণ তাঁর বাহুর দ্বারা তার গলা জড়িয়ে ধরেছিলেন বলে সে তা পারেনি। এইভাবে সেই শিশুটির ভার বহন করতে সক্ষম না হয়ে এবং তাঁকে পরিত্যাগ করতেও না পারায় তার মনে হয়েছিল যে, সেই বালকটি অত্যন্ত অদ্ভুত। কৃষ্ণ তার গলা জড়িয়ে ধরায় তৃণাবর্তাসুরের শ্বাস রুদ্ধ হয়েছিল, সে কোন শব্দ পর্যন্ত করতে পারেনি এবং তার হাত-পা পর্যন্ত সঞ্চালন করতে পারেনি। তার চক্ষু নির্গত হয়েছিল এবং শিশুটি সহ ব্রজের ভূমিতে পতিত হয়ে সেই অসুরটি তার প্রাণত্যাগ করেছিল।”
“গোপীরা যখন শ্রীকৃষ্ণের জন্য ক্রন্দন করছিলেন, তখন অসুরটি আকাশ থেকে এক বিশাল প্রস্তরখণ্ডের উপর পতিত হয়েছিল এবং তার দেহের সমস্ত অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিধ্বস্ত হয়েছিল। তাকে তখন ঠিক শিবের বাণে বিদ্ধ ত্রিপুরাসুরের মতো মনে হচ্ছিল। গোপীরা সেই অসুরের বক্ষ থেকে সর্বপ্রকার অমঙ্গলশূণ্য কৃষ্ণকে তুলে নিয়ে মা যশোদার কাছে সমর্পণ করেছিলেন। রাক্ষসটি শিশুটিকে অপহরণ করে আকাশে নিয়ে গেলেও শিশুটি যে অক্ষত রয়েছেন এবং সমস্ত বিপদ ও দুর্ভাগ্য থেকে মুক্ত হয়েছেন, তা দেখে নন্দ মহারাজ প্রমুখ গোপ এবং গোপীরা অত্যন্ত আনন্দিত হয়েছিলেন। এটি অত্যন্ত আশ্চর্যের বিষয় যে, এই অবোধ শিশুটিকে ভক্ষণ করার জন্য রাক্ষসটি তাকে নিয়ে গেলেও সে অক্ষত অবস্থায় ফিরে এসেছে। অসুরটি যেহেতু হিংস্র, খল এবং পাপাত্মা, তাই সে তার নিজের পাপকর্মের ফলে নিহত হয়েছে। এটিই প্রকৃতির নিয়ম। ভগবান সর্বদাই নিষ্পাপ ভক্তকে রক্ষা করেন এবং পাপী তার পাপের ফলে সর্বদাই বিনষ্ট হয়। নন্দ মহারাজ এবং অন্যরা বললেন- আমরা নিশ্চয়ই পূর্বে দীর্ঘকাল তপস্যা করেছি, ভগবানের আরাধনা করেছি, পথ তৈরি করে, কূপ খনন করে, দান করে জনহিতকর পূর্ণ্যকর্ম অনুষ্ঠান করেছিলাম, যার ফলে এই শিশুটি মৃত্যুমুখে পতিত হলেও তার আত্মীয়দের আনন্দ প্রদান করার জন্য ফিরে এসেছে। বৃহদ্বনে এই সমস্ত অদ্ভুত ঘটনা দর্শন করে, নন্দ মহারাজ বিস্ময় সহকারে মথুরায় বসুদেব তাঁকে যে কথাগুলি বলেছিলেন, তা স্মরণ করতে লাগলেন।”
“একদিন মা যশোদা কৃষ্ণকে তাঁর কোলে নিয়ে পুত্রস্নেহে বিগলিত হৃদয়ে স্বয়ং ক্ষরিত স্তনদুগ্ধ পান করাচ্ছিলেন। হে মহারাজ পরীক্ষিৎ! শিশু-কৃষ্ণের স্তন্যপান যখন প্রায় শেষ হয়েছিল এবং মা যশোদা তাঁর সুন্দর হাস্যোজ্জ্বল মুখের দিকে তাকিয়ে তাঁকে আদর করছিলেন, তখন কৃষ্ণ হাই তুলেছিলেন এবং মা যশোদা তাঁর মুখের মধ্যে আকাশ, স্বর্গ, মর্ত্য, জ্যোতিষচক্র, দিকসমূহ, সূর্য চন্দ্র, অগ্নি, বায়ু, সমুদ্র, দ্বীপ, পর্বত, নদী, বন এবং স্থাবর ও জঙ্গম সমস্ত প্রাণীদের দর্শন করেছিলেন। মা যশোদা যখন তাঁর শিশুপুত্রের মুখের মধ্যে সমগ্র ব্রহ্মাণ্ড দর্শন করেছিলেন, তখন তাঁর হৃদয় কম্পিত হয়েছিল এবং অত্যন্ত বিস্ময়ান্বিতা হয়ে তিনি তাঁর চঞ্চল নয়ন মুদ্রিত করেছিলেন।”

Leave a Reply

June 2026
M T W T F S S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930  

Blog Stats

  • 140,959 hits