তৃতীয় অধ্যায়- গজেন্দ্রের স্তব

শ্রীল শুকদেব গোস্বামী বললেন- “তারপর, গজেন্দ্র তার মনকে পূর্ণ বুদ্ধিমত্তা সহকারে হৃদয়ে স্থির করে, তার পূর্বজন্মে ইন্দ্রদ্যুম্নরূপে যে মন্ত্র শিখেছিল এবং ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কৃপায় যা তার স্মরণ হয়েছিল, তা জপ করেছিল।”
গজেন্দ্র বলল- “আমি পরম পুরুষ বাসুদেবকে আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি (ওঁ নমো ভগবতে বাসুদেবায়)। তাঁরই কারণে আত্মার উপস্থিতির ফলে এই জড় শরীর কর্ম করে এবং তাই তিনি সকলের মূল কারণ। তিনি ব্রহ্মা, শিব আদি মহাপুরুষদেরও পূজনীয় এবং তিনি প্রতিটি জীবের হৃদয়ে প্রবেশ করেছেন। আমি তাঁর ধ্যান করি। পরমেশ্বর ভগবান হচ্ছেন পরম অধিষ্ঠান যাঁকে আশ্রয় করে সব কিছু বিরাজ করে, তিনি সেই উপাদান যা থেকে সব কিছু উৎপন্ন হয়েছে এবং তিনি হচ্ছেন পুরুষ যিনি এই জগৎ সৃষ্টি করেছেন এবং এই জগতের একমাত্র কারণ। কিন্তু তা সত্ত্বেও তিনি কার্য এবং কারণ থেকে ভিন্ন। আমি সেই স্বয়ং-সম্পূর্ণ পরমেশ্বর ভগবানের শরণাগত হই। পরমেশ্বর ভগবান তাঁর মায়া বিস্তার করে কখনও এই জগৎকে প্রকাশ করেন এবং কখনও অপ্রকট করেন। তিনি সর্ব অবস্থাতেই পরম কারণ এবং পরম কার্য, তিনি দ্রষ্টা এবং সাক্ষী উভয়ই। তাই তিনি সব কিছুরই অতীত। সেই পরমেশ্বর ভগবান আমাকে রক্ষা করুন। কালক্রমে যখন সমস্ত গ্রহলোক এবং লোকপালগণ সহ এই ব্রহ্মাণ্ডের সমস্ত কার্য এবং কারণের বিনাশ হয়, তখন এক গভীর অন্ধকারাচ্ছন্ন পরিস্থিতি বিরাজ করে। কিন্তু সেই অন্ধকারের ঊর্ধ্বে রয়েছেন পরমেশ্বর ভগবান। আমি তাঁর শ্রীপাদপদ্মের শরণ গ্রহণ করি।”
“আকর্ষণীয় বেশভূষায় আচ্ছাদিত হয়ে বিভিন্ন প্রকার গতিবিধি সহকারে রঙ্গমঞ্চে নৃত্যপরায়ণ শিল্পীকে যেমন দর্শকেরা চিনতে পারে না, তেমনই, পরম অভিনেতার কার্যকলাপ এবং আকৃতি মহান দেবতা এবং ঋষিরাও বুঝতে পারে না, সুতরাং নির্বোধ পশুদের আর কি কথা। দেবতা, ঋষি এবং বুদ্ধিহীন জীবেরা কেউই ভগবানের আকৃতি বুঝতে পারে না এবং তাঁর প্রকৃত স্থিতি শব্দের দ্বারা ব্যক্ত করতে পারে না। সেই পরমেশ্বর ভগবান আমাকে রক্ষা করুন। সমদর্শী, সকলের সুহৃদ্, সর্বত্যাগী মহর্ষিগণ, যাঁর সর্ব-মঙ্গলময় শ্রীপাদপদ্ম দর্শন করার বাসনায় বনে ব্রহ্মচর্য, বানপ্রস্থ এবং সন্ন্যাস ব্রত অনুশীলন করেন, সেই ভগবান আমার গতি হোন। ভগবানের জড় জন্ম, কর্ম, নাম, রূপ, গুণ অথবা দোষ নেই। যে উদ্দেশ্যে এই জড় জগতে সৃষ্টি এবং বিনাশ হয়, সেই উদ্দেশ্য সাধন করার জন্য তিনি তাঁর অন্তরঙ্গা শক্তির প্রভাবে শ্রীরামচন্দ্র, শ্রীকৃষ্ণচন্দ্র আদি নবরূপে অবতীর্ণ হন। তাঁর শক্তি অসীম এবং জড় কলুষ থেকে সম্পূর্ণরূপে মুক্ত তাঁর বিবিধ রূপে তিনি অতি আশ্চর্য কর্ম করেন। তাই তিনি পরম ব্রহ্ম, আমি তাঁকে আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি। যিনি সকলের হৃদয়ে সাক্ষীরূপে বিরাজমান, যিনি জীবকে জ্ঞানের আলোক প্রদান করেন এবং মন, বাণী অথবা চেতনার অনুশীলনের দ্বারা যাঁর কাছে পৌছানো যায় না, সেই স্বয়ংপ্রকাশ পরমাত্মাকে আমি নমস্কার করি। চিন্ময় স্তরে ভক্তিপরায়ণ শুদ্ধ ভক্তেরাই ভগবানকে উপলব্ধি করতে পারেন। তিনি নির্বাণ সুখ প্রদাতা এবং চিন্ময় লোকের প্রভু। তাই আমি তাঁকে আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি। সর্বব্যাপ্ত ভগবান বাসুদেবকে, নৃসিংহদেব আদি ভগবানের উগ্র রূপকে, বরাহদেব আদি ভগবানের পশুরূপকে, নির্বিশেষবাদের প্রচারক ভগবান দত্তাত্রেয়কে, ভগবান বুদ্ধদেব এবং অন্যান্য সমস্ত অবতারদের আমি আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি। যিনি নির্গুণ হওয়া সত্ত্বেও জড়া প্রকৃতির সত্ত্ব, রজ এবং তমোগুণকে আশ্রয় করেন, সেই ভগবানকে আমি আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি। তাঁর নির্বিশেষ ব্রহ্মজ্যোতিকেও আমি আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি।”
“হে ভগবান, আপনি পরমাত্মা, সর্বাধ্যক্ষ, সমস্ত ঘটনার সাক্ষী, আপনাকে আমি আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি। আপনি প্রকৃতি এবং প্রধানের উৎস পরম পুরুষ। আপনি সমস্ত জড় শরীরের অধ্যক্ষ। তাই আপনি পরম পূর্ণ। আমি আপনাকে আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি। হে ভগবান, আপনি সমস্ত ইন্দ্রিয়ের বিষয়ের দ্রষ্টা। আপনার কৃপা ব্যতীত সন্দেহরূপ সমস্যার সমাধানের কোন সম্ভাবনা নেই। জড় জগত আপনার ছায়ার মতো। বস্তুতপক্ষে, আপনার অস্তিত্বের আভাস প্রদান করে বলেই এই জড় জগৎকে সত্য বলে মনে হয়। হে প্রভু, আপনি সর্ব-কারণের পরম কারণ, কিন্তু আপনার কোন কারণ নেই। তাই আপনি সব কিছুর অদ্ভুত কারণ। আপনি হচ্ছেন পঞ্চরাত্র এবং বেদান্ত-সূত্র আদি শাস্ত্রে নিহিত বৈদিক জ্ঞানের আশ্রয় এবং সেই সমস্ত শাস্ত্র আপনার সাক্ষাৎ স্বরূপ এবং আপনি পরম্পরার পরম উৎস। যেহেতু আপনিই কেবল মুক্তি প্রদান করতে পারেন, তাই সমস্ত অধ্যাত্মবাদীদের আপনিই একমাত্র আশ্রয়। আপনাকে আমি আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি। হে প্রভু, অগ্নি যেমন অরণি কাষ্ঠে আচ্ছাদিত থাকে, তেমনই আপনি এবং আপনার জ্ঞান জড়া প্রকৃতির গুণের দ্বারা আচ্ছাদিত। আপনার মন কিন্তু জড়া প্রকৃতির কার্যকলাপে অভিনিবিষ্ট হয় না। যাঁরা আধ্যাত্মিক জ্ঞানে উন্নত, তাঁরা বৈদিক বিধি-নিষেধের অধীন নন। যেহেতু, এই প্রকার উন্নত আত্মারা জড়াতীত চিন্ময় স্তরে অধিষ্ঠিত, তাই আপনি স্বয়ং তাদের শুদ্ধ হৃদয়ে প্রকাশিত হন। অতএব আমি আপনাকে আমার প্রণতি নিবেদন করি। যেহেতু আমার মতো একটি পশু পরম মুক্ত আপনার শরণাগত হয়েছে, তাই অবশ্যই আপনি আমাকে এই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি থেকে মুক্ত করবেন। বস্তুতপক্ষে, অত্যন্ত করুণাময় হওয়ার ফলে, আপনি নিরন্তর আমাকে মুক্ত করার চেষ্টা করেন। পরমাত্মারূপে আপনি সমস্ত দেহধারী জীবের হৃদয়ে বিরাজমান। আপনি প্রত্যক্ষ দিব্য জ্ঞানরূপে বিখ্যাত এবং আপনি অসীম। সেই পরমেশ্বর ভগবান আপনাকে আমি আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি। হে ভগবান, যাঁরা সর্বতোভাবে জড় জগতের কলুষ থেকে মুক্ত, তাঁরা সর্বদাই তাঁদের অন্তরের অন্তস্থলে আপনার ধ্যান করেন। আমার মতো যারা মনোধর্মী জল্পনা-কল্পনা, গৃহ, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব, ধন, বিত্ত, পরিচারক আদিতে আসক্ত, তাদের পক্ষে আপনি দুষ্প্রাপ্য। আপনি জড়া প্রকৃতির কলুষ থেকে সর্বতোভাবে মুক্ত পরমেশ্বর ভগবান। আপনি সমস্ত জ্ঞানের উৎস পরম ঈশ্বর। আমি তাই আপনাকে আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি। যে ভগবানকে আরাধনা করলে চতুর্বর্গকামী ব্যক্তিরা তাদের বাসনা অনুসারে ধর্ম, অর্থ, কাম এবং মোক্ষ লাভ করতে পারেন, তা হলে অন্যান্য আর্শীর্বাদের আর কি কথা? প্রকৃতপক্ষে ভগবান সেই প্রকার উচ্চাভিলাষী উপাসকদের চিন্ময় দেহও প্রদান করেন। সেই অপার করুণাময় ভগবান আমাকে এই বর্তমান সঙ্কট এবং সংসার-বন্ধন থেকে মুক্ত হওয়ার আশীর্বাদ প্রদান করুন। ঐকান্তিক ভক্তেরা, যাঁদের ভগবানের সেবা করার ছাড়া আর কোন বাসনা নেই, তাঁরা সম্পূর্ণরূপে শরণাগত হয়ে তাঁর আরাধনা করেন এবং সর্বদা তাঁর অতি অদ্ভুত ও মঙ্গলময় কার্যকলাপ শ্রবণ ও কীর্তন করেন। এইভাবে তাঁরা সর্বদা আনন্দের সমুদ্রে মগ্ন থাকেন। এই প্রকার ভক্তেরা কখনও ভগবানের কাছে কোন বর প্রার্থনা করেন না। কিন্তু আমি এখন এক মহা সঙ্কটে পতিত হয়েছি, তাই আমি সেই নিত্য, অব্যক্ত, ব্রহ্মা আদি মহাপুরুষদেরও ঈশ্বর এবং কেবল ভক্তিযোগের দ্বারা লভ্য, সেই ভগবানের প্রার্থনা করি। তিনি অত্যন্ত সূক্ষ্ম, তাই তিনি আমাদের ইন্দ্রিয় এবং সমস্ত বাহ্য অনুভূতির অতীত। তিনি অসীম, তিনি আদি কারণ এবং তিনি সর্বতোভাবে পূর্ণ। আমি তাঁকে আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি। ভগবান তাঁর স্বল্প অংশ দ্বারা জীবতত্ত্বরূপে ব্রহ্মা আদি দেবগণ এবং বৈদিক জ্ঞানের বিস্তার (সাম, ঋক্, যজুঃ এবং অথর্ব) এবং বিভিন্ন নাম ও গুণ সমন্বিত চরাচর সমস্ত লোক সৃষ্টি করেন। স্ফুলিঙ্গ যেমন অগ্নি থেকে নির্গত হয়ে অথবা উজ্জ্বল কিরণ যেমন সূর্য থেকে প্রকাশিত হয়ে পুনরায় তাতেই প্রবেশ করে, তেমনই মন, বুদ্ধি, ইন্দ্রিয়, স্থূল ও সূক্ষ্ম জড় দেহ এবং প্রকৃতির গুণের সতত রূপান্তর- এই সবই ভগবান থেকে উদ্ভূত হয়ে পুনরায় তাঁর মধ্যেই লীন হয়ে যায়। তিনি দেবতা নন বা দানব নন, তিনি মানুষ, পক্ষী, অথবা পশু নন। তিনি স্ত্রী নন, পুরুষ নন অথবা ক্লীব নন, তিনি জন্তুও নন। তিনি জড় গুণ, সকাম কর্ম, প্রকাশ এবং অপ্রকাশ নন। তিনি ‘নেতি নেতি’ নিষেধের অবধি এবং তিনি অনন্ত। সেই পরমেশ্বর ভগবান জয়যুক্ত হোন। আমি কুমিরের কবল থেকে মুক্ত হয়ে বাঁচতে চাই না। অন্তরে ও বাইরে অজ্ঞানের দ্বারা আচ্ছাদিত এই হস্তী শরীরের কি প্রয়োজন? আমি কেবল অজ্ঞানের আবরণ থেকে মুক্তি কামনা করি। সেই আবরণ কালের প্রভাবের দ্বারা বিনষ্ট হয় না। এখন আমি পূর্ণরূপে সংসার-বন্ধন থেকে মুক্ত হওয়ার বাসনা করে, সেই পরমেশ্বর ভগবানকে আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি, যিনি সমগ্র বিশ্বের স্রষ্টা, যিনি স্বয়ং বিশ্বস্বরূপ এবং তা সত্ত্বেও যিনি এই বিশ্বের অতীত। তিনি এই জগতের সব কিছুর পরম জ্ঞাতা, বিশ্বের পরমাত্মা। তিনি অজ এবং পরম পদস্বরূপ। আমি তাঁকে আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি। আমি পরমেশ্বর, পরমাত্মা, যোগেশ্বর ভগবানকে আমার প্রণতি নিবেদন করি, যাঁকে ভক্তিযোগের অনুশীলনের দ্বারা কর্মফল থেকে সম্পূর্ণরূপে মুক্ত হয়ে সিদ্ধ যোগীরা তাঁদের নির্মল অন্তরের অন্তস্তলে দর্শন করেন। হে প্রভু, আপনি তিন প্রকার শক্তির অসহ্য বেগের নিয়ন্তা। আপনি সমস্ত ইন্দ্রিয়সুখের উৎসরূপে প্রতীয়মান এবং আপনি শরণাগতজনের রক্ষক। আপনি অনন্ত শক্তি সমন্বিত, কিন্তু যারা ইন্দ্রিয়-সংযমে অক্ষম তারা আপনাকে লাভ করতে পারে না। আমি বার বার আপনাকে আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি। আমি ভগবানকে আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি, যাঁর মায়ার দ্বারা তাঁর বিভিন্ন অংশ জীব দেহাত্মবুদ্ধির ফলে, তার প্রকৃত স্বরূপ বিস্মৃত হয়। আমি ভগবানের শরণ গ্রহণ করি, যাঁর মহিমা বোঝা কঠিন।”
শ্রীল শুকদেব গোস্বামী বললেন- “গজেন্দ্র যখন কোন বিশেষ ব্যক্তির বর্ণনা না করে পরমেশ্বরকে এইভাবে সম্বোধন করেছিল, তখন সে ব্রহ্মা, শিব, ইন্দ্র, চন্দ্র আদি দেবতাদের আহ্বান করেনি। তাই তাঁরা কেউই তার কাছে আসেনি। কিন্তু, ভগবান শ্রীহরি হচ্ছেন পুরুষোত্তম পরমাত্মা, তাই তিনি গজেন্দ্রের সম্মুখে আবির্ভূত হয়েছিলেন। প্রার্থনারত গজেন্দ্রের আর্ত অবস্থা বুঝতে পেরে, ভগবান যিনি সর্বত্র বিরাজ করেন তিনি স্তূয়মান দেবতাগণ সহ সেখানে আবির্ভূত হয়েছিলেন। গরুড়পৃষ্টে আরোহন করে, ইচ্ছা অনুরূপ বেগে চক্র আদি অস্ত্র ধারণ করে তিনি যেখানে গজেন্দ্র অবস্থান করেছিল, সেখানে আবির্ভূত হয়েছিলেন। গজেন্দ্র সেই সরোবরের জলে মহাবল কুমিরের দ্বারা আক্রান্ত হয়ে অত্যন্ত বেদনা অনুভব করেছিল, কিন্তু সে যখন আকাশে গরুড়ের পিছে উদ্যত চক্র ভগবানকে দর্শন করেছিল, তখন সে তার শুঁড়ে একটি পদ্মফুল নিয়ে অতি কষ্টে বলেছিল- “হে নারায়ণ, হে অখিল গুরু, হে ভগবান, আমি আপনাকে আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি।” তারপর, গজেন্দ্রকে সেই পীড়িত অবস্থায় দর্শন করে, অজ ভগবান শ্রীহরি তৎক্ষণাৎ তাঁর অহৈতুকী কৃপাবশত গরুড়ের পিঠ থেকে অবতরণ করে, কুমির সহ গজেন্দ্রকে জল থেকে টেনে উঠালেন এবং তারপর দর্শনরত সমস্ত দেবতাদের সমক্ষে তাঁর চক্রের দ্বারা কুমিরের মুখ বিদীর্ণ করে গজেন্দ্রকে উদ্ধার করলেন।”

Leave a Reply

February 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
232425262728  

Blog Stats

  • 140,959 hits