শ্রীল শুকদেব গোস্বামী বললেন- “হে রাজন্, সমস্ত যজ্ঞের ভোক্তা ভগবান শ্রীবিষ্ণু বামনদেব রূপে বলি মহারাজের যজ্ঞে আবির্ভূত হয়েছিলেন। তখন তিনি তাঁর বামপদ বিস্তার করে পদাঙ্গুষ্ঠের নখের দ্বারা ব্রহ্মাণ্ডের আবরণ বিদীর্ণ করেছিলেন। সেই ছিদ্র দিয়ে কারণ-সমুদ্রের বিশুদ্ধ জল গঙ্গানদীরূপে এই ব্রহ্মাণ্ডে প্রবেশ করে। ভগবানের শ্রীপাদপদ্ম ধৌত করে তাঁর পায়ের কুমকুমের সঙ্গে মিলিত হওয়ার ফলে, গঙ্গার জল এক অতি সুন্দর অরুণ আভা প্রাপ্ত হয়েছে। গঙ্গার দিব্য জলের স্পর্শে জীব তৎক্ষণাৎ সমস্ত জড় কলুষ থেকে মুক্ত হতে পারে, কিন্তু তা সত্ত্বেও গঙ্গার জল চিরপবিত্র থাকে। গঙ্গা যেহেতু এই ব্রহ্মাণ্ডে অবতরণ করার পূর্বে সাক্ষাৎভাবে ভগবানের শ্রীপাদপদ্ম স্পর্শ করেছেন, তাই তিনি বিষ্ণুপদী নামে পরিচিত। পরবর্তীকালে তিনি জাহ্নবী, ভাগীরথী ইত্যাদি নাম প্রাপ্ত হয়েছেন। এক সমস্র যুগ পরিমিত সুদীর্ঘ কালের পর, গঙ্গা এই ব্রহ্মাণ্ডের সর্বোচ্চলোক ধ্রুবলোকে অবতীর্ণ হন। তাই পণ্ডিতেরা সেই ধ্রুবলোককে বিষ্ণুপদ বলেন (ভগবান শ্রীবিষ্ণুর শ্রীপাদপদ্মে অবস্থিত)।”
“মহারাজ উত্তানপাদের পুত্র ধ্রুব ভগবানের সেবায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হওয়ার ফলে, ভগবানের শ্রেষ্ঠ ভক্তরূপে বিখ্যাত হয়েছিলেন। পবিত্র গঙ্গার জল ভগবান শ্রীবিষ্ণুর শ্রীপাদপদ্ম বিধৌত করেন জেনে, আজও তিনি পরম ভক্তি সহকারে সেই জল তাঁর মস্তকে ধারণ করেন। অন্তরের অন্তঃস্থলে নিরন্তর শ্রীকৃষ্ণের ধ্যান করার ফলে, গভীর উৎকন্ঠায় তাঁর ঈষৎ উন্মীলিত নয়ন থেকে অশ্রুধারা ঝরে পড়ে এবং তাঁর শরীরে রোমাঞ্চ ও পুলক প্রকাশ পায়। মরীচি, বসিষ্ঠ, অত্র আদি সপ্তর্ষি ধ্রুবলোকের নিচে বাস করেন। গঙ্গার মহিমা উত্তমরূপে অবগত হয়ে, তাঁরা আজও গঙ্গার জল তাঁদের জটাতে ধারণ করেন। তাঁরা স্থির করেছেন যে, এই গঙ্গার জলই হচ্ছে পরম সম্পদ, সমস্ত তপস্যার সিদ্ধি এবং চিন্ময় জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ ধন। ভগবানে অপ্রতিহতা ভক্তি লাভ করে তাঁরা ধর্ম, অর্থ, কাম এমনকি মোক্ষকে পর্যন্ত উপেক্ষা করেন। জ্ঞানীরা যেমন ব্রহ্মজ্যোতিতে লীন হয়ে যাওয়াকেই পরম প্রাপ্ত বলে মনে করেন, এই সপ্তর্ষিরা তেমন ভগবদ্ভক্তিকেই জীবনের পরম সিদ্ধি বলে মনে করেন। ধ্রুবলোকের সন্নিকটে সপ্তর্ষিমণ্ডলকে পবিত্র করে গঙ্গাজল কোটি কোটি দিব্য বিমানে আকাশ মার্গ দিয়ে নিম্নে অবতরণ করে। তারপর তা চন্দ্রলোক প্লাবিত করে সুমেরু পর্বতের শিখরে অবস্থিত ব্রহ্মসদনে পতিত হয়। সুমেরু পর্বতের শিখরে গঙ্গা চারটি ধারায় বিভক্ত হয়ে পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর এবং দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়েছে। এই ধারাগুলির নাম- সীতা, অলকনন্দা, চক্ষু এবং ভদ্রা। অবশেষে এই ধারাগুলি সমুদ্রে পতিত হয়েছে। সীতা নামক গঙ্গার ধারা সুমেরু শিকরের ব্রহ্মপুরী থেকে বহির্গত হয়ে নিকটস্থ কেশরাচল পর্বতগুলির শিখরে পতিত হয়। সেই পর্বতগুলি সুমেরু পর্বতের চারপাশে কেশরের মতো। কেশরাচল পর্বত থেকে গঙ্গা গন্ধমাদন পর্বত শিখরে পতিত হয় এবং তারপর ভদ্রাশ্ববর্ষের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে, পূর্বদিকে লবণ সমুদ্রে পতিত হয়। চক্ষু নামক গঙ্গার ধারা মাল্যবান পর্বতের শিখর থেকে জলপ্রপাত রূপে পতিত হয়ে, অপ্রতিহত বেগে কেতুমালবর্ষকে প্লাবিত করে পশ্চিমদিকে সমুদ্রে প্রবেশ করে। ভদ্রা নামক গঙ্গার ধারা সুমেরু পর্বতের শিখর থেকে উত্তর দিকে প্রবাহিত হয় এবং সেই ধারা কুমুদ পর্বতের শিখর থেকে উচ্ছলিত হয়ে নীল পর্বতের শিখরে, সেখান থেকে শ্বেত পর্বতের শিখরে এবং তারপর শৃঙ্গবান্ পর্বতের শিখরে পতিত হয়। তারপর কুরুপ্রদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে, উত্তর দিকে লবণ-সমুদ্রে প্রবেশ করে। তেমনই, অলকনন্দা নামক গঙ্গার ধারা ব্রহ্মপুরীর দক্ষিণ দিক থেকে প্রবাহিত হয়ে, বিভিন্ন প্রদেশের পর্বতশৃঙ্গ অতিক্রম করে প্রচণ্ড বেগে হেমকূট এবং হিমকূট পর্বত-শিখরে পতিত হয়। এই পর্বত শিখরগুলি প্লাবিত করে গঙ্গা ভারতবর্ষে পতিত হয়ে সেই স্থানকে প্লাবিত করে। তারপর গঙ্গা দক্ষিণে লবণ সমুদ্রে প্রবেশ করে। যারা এই নদীতে স্নান করতে আসে, তারা ভাগ্যবান। তাদের পক্ষে প্রতি পদক্ষেপে অশ্বমেধ এবং রাজসূয় আদি মহাযজ্ঞের ফল লাভ করা দুর্লভ হয় না। অন্য বহু বড় এবং ছোট নদ-নদী সুমেরু পর্বতের শিখর থেকে প্রবাহিত হচ্ছে। সেই নদীগুলি ঠিক পর্বতের কন্যার মতো এবং শত শত ধারায় তারা বিভিন্ন বর্ষে প্রবাহিত হচ্ছে।”
“নয়টি বর্ষের মধ্যে ভারতবর্ষকেই কর্মক্ষেত্র বলা হয়। পণ্ডিত এবং মহাত্মাগণ বলেন যে, অন্য আটটি বর্ষ অতি পুণ্যবান ব্যক্তিদের পুণ্যশেষ উপভোগের স্থান। স্বর্গলোক থেকে ফিরে আসার পর, তাঁরা তাঁদের পুণ্যকর্মের অবশিষ্ট অংশ এই আটটি বর্ষে ভোগ করেন। এই আটটি বর্ষে যারা বাস করেন, তাঁদের আয়ু মানুষের গণনায় দশ হাজার বছর। তাঁরা দেবতুল্য। তাঁরা দশ হাজার হাতির বল ধারণ করেন। তাঁদের শরীর বজ্রের মতো সুদৃঢ়। তাঁদের যৌবন সমন্বিত জীবন অত্যন্ত সুখদায়ক এবং স্ত্রী ও পুরুষ উভয়েই পরম আনন্দে দীর্ঘস্থায়ী মৈথুনসুখ উপভোগ করেন। দীর্ঘকাল ইন্দ্রিয়সুখ উপভোগের পর, যখন তাঁদের জীবনের মাত্র এক বৎসর কাল অবশিষ্ট থাকে, তখন তাঁদের স্ত্রীরা একবার মাত্র গর্ভধারণ করে। এইভাবে এই সমস্ত স্বর্গের অধিবাীদের সুখের মান যেন ত্রেতাযুগের মানুষদের মতো। সেই সমস্ত বর্ষে, সর্ব ঋতুর ফুল, ফল এবং কিশলয় শোভিত বহু উদ্যান রয়েছে এবং সেখানে বহু সুন্দর আশ্রমও রয়েছে। সেখানে বর্ষের সীমা নির্দেশক পর্বতগুলির মধ্যদেশে যে বিশাল সরোবরগুলি রয়েছে সেগুলি নববিকশিত পদ্মে পূর্ণ। সেই পদ্মের সৌরভে রাজহংস, কারণ্ডব, জলকুক্কুট, সারস, চক্রবাক প্রভৃতি পাখিরা আমোদিত হয়ে কলরব করতে থাকে এবং তার সঙ্গে ভ্রমরের গুঞ্জন মিশ্রিত হয়ে চতুর্দিক মুখরিত করে তোলে। সেই সমস্ত বর্ষের অধিবাসীরা হচ্ছে দেবতাদের মধ্যে বিশিষ্ট নায়ক। ভৃত্যদের দ্বারা সর্বদা সেবিত হয়ে, তাঁরা সেই সরোবর সমীপস্থ উদ্যানে জীবন উপভোগ করেন। এই মনোমুগ্ধকর পরিবেশে দেবপতিদের পত্নীরা মধুর হাসি এবং কামক্ষুব্ধ নয়নে তাঁদের পতিদের প্রতি দৃষ্টিপাত করেন। এই সমস্ত দেবতা এবং তাঁদের পত্নীদের জন্য তাঁদের ভৃত্যেরা সব সময় চন্দন ও ফুলমালা প্রদান করে। এইভাবে সেই আটটি স্বর্গসদৃশ বর্ষের অধিবাসীরা তাদের রমণীদের আচরণে আকৃষ্ট হয়ে আনন্দ উপভোগ করেন। ভগবান শ্রীনারায়ণ তাঁর ভক্তদের কৃপা করার জন্য বাসুদেব, সঙ্কর্ষণ, প্রদ্যুম্ন এবং অনিরুদ্ধ- এই চতুর্ব্যূহরূপে নয়টি বর্ষের প্রতিটি বর্ষেই বিরাজমান। এইভাবে তিনি তাঁর ভক্তদের সেবা গ্রহণ করার জন্য তাঁদের নিকটে থাকেন।”
শ্রীল শুকদেব গোস্বামী বললেন- “ইলাবৃতবর্ষে পরম শক্তিমান দেবাদিদেব মহাদেবই কেবল একমাত্র পুরুষ। তাঁর পত্নী দুর্গাদেবী চান না যে, কোন পুরুষ সেই স্থানে প্রবেশ করুক। অজ্ঞতাবশত কেউ যদি সেখানে প্রবেশ করে, তাহলে তিনি তৎক্ষণাৎ তাকে নারীতে পরিণত করেন। সেই কথা আমি পরে (শ্রীমদ্ভাগবতের নবম স্কন্ধে) বর্ণনা করব। ইলাবৃতবর্ষে শ্রীশিব সর্বদা কোটি কোটি সেবিকার দ্বারা পরিবেষ্টিত হয়ে সেবিত হন। বাসুদেব, প্রদ্যুম্ন, অনিরুদ্ধ এবং সঙ্কর্ষণ- ভগবানের এই চতুর্ব্যূহের চতুর্থ মূর্তি সঙ্কর্ষণ নিঃসন্দেহে শুদ্ধ চিন্ময়। কিন্তু এই জড় জগতে তাঁর ধ্বংসাত্মক কার্য তামসিক বলে তিনি তামসী নামে অভিহিত হন। ভগবান শিব জানেন যে, সঙ্কর্ষণ হচ্ছেন তাঁর অংশী বা মূল কারণ এবং তাই তিনি সর্বদা সমাধি যোগে নিম্নলিখিত মন্ত্রটি উচ্চরণ করে তাঁর ধ্যান করেন।”
“পরম ঐশ্বর্যশালী শ্রীশিব বললেন- “হে পরমেশ্বর ভগবান সঙ্কর্ষণ, আমি আপনাকে আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি। আপনি সমস্ত দিব্য গুণের আধার। যদিও আপনি অনন্ত, তবুও অভক্তদের কাছে আপনি অব্যক্ত থাকেন। হে ভগবান, আপনি একমাত্র আরাধ্য, কারণ আপনি পরমেশ্বর এবং সমস্ত ঐশ্বর্যের আধার। আপনার অভয়চরণারবিন্দ আপনার ভক্তদের সর্বতোভাবে রক্ষা করে এবং তাঁদের সন্তুষ্টি বিধানের জন্য আপনি বিভিন্ন রূপে নিজেকে প্রকাশ করেন। হে প্রভু, আপনি আপনার ভক্তদের সংসার মোচন করেন। কিন্তু অভক্তেরা চিরকাল আপনারই ইচ্ছায় এই জড় জগতের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে থাকে। আপনি কৃপা করে আমাকে আপনার নিত্য দাসত্ব প্রদান করুন। আমরা আমাদের ক্রোধের বেগ জয় করতে পারিনি। তাই যখন আমরা জড় বস্তু দর্শন করি, তখন অনুরাগ অথবা বিদ্বেষের ভাব এড়ানো যায় না। কিন্তু ভগবান কখনও এইভাবে প্রভাবিত হন না। যদিও সৃষ্টি, স্থিতি এবং সংহারের জন্য তিনি এই জড় জগতের প্রতি দৃষ্টিপাত করেন, তবুও তিনি অণুমাত্রও তার দ্বারা প্রভাবিত হন না। তাই যিনি ইন্দ্রিয়ের বেগ জয় করার অভিলাষী, তাঁর অবশ্য কর্তব্য ভগবানের শ্রীপাদপদ্মের আশ্রয় গ্রহণ করা। তাহলে তিনি বিজয়ী হবেন। যাদের দৃষ্টি কলুষিত, তাদের কাছে ভগবানের চক্ষু মধু এবং সুরা পানের ফলে আরক্তিম বলে মনে হয়। এইভাবে যারা বিমোহিত হয়েছে, সেই বিবেকহীন ব্যক্তিরা ভগবানের প্রতি ক্রুদ্ধ হয় এবং তাদের ক্রোধের ফলে, তাদের কাছে ভগবানও ক্রুদ্ধ এবং অত্যন্ত ভয়ঙ্কর বলে মনে হয়। কিন্তু এটি তাদের ভ্রান্তি। যকন নাগবধূরা ভগবানের শ্রীপাদপদ্মের স্পর্শে মুগ্ধ হয়েছিলেন, লজ্জাবশত তাঁরা আর তাঁর অন্যান্য অঙ্গের অর্চনা করতে সমর্থ হননি। তবুও ভগবান তাঁদের স্পর্শে বিচলিত হননি, কারণ তিনি সর্ব অবস্থাতেই ধীর। তাই এমন কে আছে, যে ভগবানের আরাধনা করবে না?”
“দেবাদিদেব মহাদেব বললেন- সমস্ত মহর্ষিরা ভগবানকে সমগ্র সৃষ্টি, পালন এবং সংহারের কারণ বলে স্বীকার করেন, যদিও এই সমস্ত কার্যকলাপে তাঁর করণীয় কিছু নেই। তাই ভগবানকে বলা হয় অনন্ত। ভগবান যদিও তাঁর শেষ অবতারে তাঁর সহস্র ফণায় সমগ্র ব্রহ্মাণ্ডগুলিকে ধারণ করে রয়েছেন, তবুও প্রতিটি ব্রহ্মাণ্ড তাঁর কাছে এক-একটি সরিষার মতো মনে হয়। তাই সিদ্ধি লাভের অভিলাষী কোন্ ব্যক্তি তাঁর আরাধনা করবেন না? ভগবান থেকেই ব্রহ্মার উৎপত্তি হয়, যাঁর শরীর মহত্তত্ত্বের দ্বারা নির্মিত এবং যিনি রজোগুণ-প্রধান বুদ্ধির আশ্রয়। সেই ব্রহ্মা থেকে অহঙ্কার তত্ত্ব আমি রুদ্র জন্মগ্রহণ করেছি। আমার শক্তির দ্বারা আমি অন্য সমস্ত দেবতাদের, পঞ্চমহাভূত এবং ইন্দ্রিয়বর্গের সৃষ্টি করি। তাই আমি সেই ভগবানের আরাধনা করি, যিনি আমাদের সকলের থেকে শ্রেষ্ঠ এবং যাঁর নিয়ন্ত্রণে সমস্ত দেবতারা, মহাভূত এবং ইন্দ্রিয়বর্গ, এমনকি ব্রহ্মা ও আমি স্বয়ং- আমরা সকলেই সূত্রবদ্ধ পাখিদের মতো নিয়ন্ত্রিত হই। ভগবানের কৃপার প্রভাবেই কেবল আমরা এই জড় জগতের সৃষ্টি, পালন বিনাশকার্য সাধনে সক্ষম হই। তাই আমি সেই পরমেশ্বর ভগবানকে আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি। ভগবানের মায়া সমস্ত বদ্ধ জীবদের এই জড় জগতে বেঁধে রাখে। তাই তাঁর কৃপা ব্যতীত আমাদের মতো ব্যক্তি বুঝতে পারে না কিভাবে সেই মায়ার বন্ধন থেকে মুক্ত হওয়া যায়। সমস্ত সৃষ্টি এবং বিনাশের কারণ সেই ভগবানকে আমি আমার সশ্রদ্ধ প্রণতি নিবেদন করি।”
সপ্তদশ অধ্যায়- গঙ্গার অবতরণ
21 Oct 2025 Leave a comment
in অমল পুরান, পঞ্চম স্কন্ধ- কর্মবাসনা