মহর্ষি মৈত্রেয় বলতে লাগলেন- “তাঁর জীবনের অন্তিম অবস্থায়, পৃথু মহারাজ যখন দেখলেন যে, তিনি বৃদ্ধ হতে চলেছেন, তখন সেই মহাপুরুষ, যিনি সারা পৃথিবীর রাজা ছিলেন, তিনি স্থাবর ও জঙ্গম তাঁর সমস্ত সম্পদ সমস্ত জীবদের মধ্যে বিতরণ করে দিয়েছিলেন। তিনি ধর্মের অনুশাসন অনুসারে সকলের বৃত্তি নির্ধারণ করেছিলেন এবং পরমেশ্বর ভগবানের নির্দেশ পালন করে তাঁর পূর্ণ অনুমতিক্রমে, তিনি তাঁর পুত্রদের হস্তে তাঁর কন্যাসদৃশা পৃথিবীর দায়িত্বভার ন্যস্ত করেছিলেন। তার পর পৃথু মহারাজ তাঁর বিরহে কাতর ও ক্রন্দনরত প্রজাদের ত্যাগ করে তপস্যা করার উদ্দেশ্যে তাঁর পত্নীসহ একাকী বনে গমন করেছিলেন। গৃহস্থ আশ্রম থেকে অবসর গ্রহণ করে পৃথু মহারাজ বানপ্রস্থ আশ্রমের নিয়মগুলি অত্যন্ত কঠোরতার সঙ্গে পালন করেছিলেন এবং বনে কঠোর তপস্যা করেছিলেন। পূর্বে তিনি রাজ্যশাসন কার্যে এবং পৃথিবী জয় করার ব্যাপারে যে ঐকান্তিকতা প্রদর্শন করেছিলেন, এই ব্যাপারেও তিনি সেই ঐকান্তিকতা সহকারে প্রবৃত্ত হয়েছিলেন। তপোবনে, পৃথুমহারাজ কখনও কন্দমূল, ফল, কখনও শুষ্ক পত্র আহার, কখনও বা কেবল জল পান করে কয়েক পক্ষকাল অতিবাহিত করতেন। অবশেষে কেবল বায়ু ভক্ষণ করে তিনি জীবন ধারণ করেছিলেন। বানপ্রস্থ আশ্রমের নিয়ম এবং মহান ঋষি ও মুনিদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে, পৃথু মহারাজ গ্রীষ্মকালে পঞ্চাগ্নির তাপ সহ্য করেছিলেন, বর্ষাকালে অনাবৃত স্থানে থেকে বর্ষার ধারাসম্পাত সহ্য করেছিলেন এবং শীতকালে আকন্ঠ জলমগ্ন থেকেছিলেন। তিনি ভূমিতেও শয়ন করতেন। পৃথু মহারাজ তাঁর বাণী সংযত করে জিতেন্দ্রিয়, ঊর্ধ্বরেতা ও জিতশ্বাস হয়ে, শ্রীকৃষ্ণের সন্তুষ্টি-বিধারে জন্যই কেবল এই সমস্ত কঠোর তপস্যা করেছিলেন। তা ছাড়া তাঁর আর অন্য কোন উদ্দেশ্য ছিল না। এইভাবে কঠোর তপস্যা করার ফলে, পৃথু মহারাজ ক্রমশ আধ্যাত্মিক জীবনে নিষ্ঠাপরায়ণ হয়েছিলেন এবং সকাম কর্মের সমস্ত বাসনা থেকে মুক্ত হয়েছিলেন। তাঁর মন ও ইন্দ্রিয় সংযত করার জন্য তিনি প্রাণায়াম অভ্যাস করেছিলেন এবং তার ফলে তিনি সমস্ত সকাম কর্মের বাসনা থেকে সম্পূর্ণরূপে মুক্ত হয়েছিলেন। এইভাবে সনৎকুমারের উপদেশ অনুসারে, নরশ্রেষ্ঠ মহারাজ পৃথু পারমার্থিক উন্নতিসাধনের পন্থা অনুসরণ করেছিলেন। অর্থাৎ, তিনি পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আরাধনা করেছিলেন। এইভাবে পৃথু মহারাজ দিনের মধ্যে চব্বিশ ঘন্টা কঠোর নিষ্ঠা সহকারে বিধিবিধান পালন করে পূর্ণরূপে ভগবদ্ভক্তিতে যুক্ত হয়েছিলেন। তার ফলে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের প্রতি তাঁর প্রেমের উদয়ে, তিনি অবিচলিত ভক্তি লাভ করেছিলেন।”
“নিরন্তর ভগবদ্ভক্তি সম্পাদন করার ফলে, পৃথু মহারাজের মন চিন্ময়ত্ব প্রাপ্ত হয়েছিল এবং তাই তিনি নিরন্তর ভগবানের চরণারবিন্দের চিন্তায় মগ্ন হতে পেরেছিলেন। তার ফলে তিনি সম্পূর্ররূপে অনাসক্ত হয়েছিলেন এবং পূর্ণ জ্ঞান প্রাপ্ত হয়ে সমস্ত সংশয় থেকে মুক্ত হতে পেরেছিলেন। এইভাবে তিনি অহঙ্কার ও জড়-জাগতিক জীবনের ধারণা থেকে মুক্ত হয়েছিলেন। পৃথু মহারাজ যখন সম্পূর্ণরূপে দেহাত্মবুদ্ধি থেকে মুক্ত হয়েছিলেন, তখন তিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে, ভগবান শ্রীকৃষ্ণ সকলের হৃদয়ে পরমাত্মারূপে বিরাজ করছেন। এইভাবে পরমাত্মার কাছ থেকে সমস্ত আদেশ লাভ করতে সমর্থ হয়ে, তিনি যোগ ও জ্ঞানের অন্য সমস্ত পন্থা পরিত্যাগ করেছিলেন। এমন কি জ্ঞান ও যোগের সিদ্ধিতেও তাঁর কোন রুচি ছিল না, কারণ তিনি পূর্ণরূপে উপলব্ধি করেছিলেন যে, কৃষ্ণভক্তি হচ্ছে জীবনের চরম লক্ষ্য ও যোগী ও জ্ঞানীরা যদি কৃষ্ণকথার প্রতি আকৃষ্ট না হয়, তা হলে সংসার সম্বন্ধে তাদের ভ্রম কখনও দূর হবে না।”
“তারপর যখন পৃথু মহারাজের দেহত্যাগ করার সময় উপস্থিত হয়েছিল, তখন তিনি তাঁর মনকে শ্রীকৃষ্ণের শ্রীপাদপদ্মে দৃঢ়ভাবে স্থির করেছিলেন এবং সম্পূর্ণরূপে ব্রহ্মভূত স্তরে স্থিত হয়ে, তিনি তাঁর দেহত্যাগ করেছিলেন। পৃথু মহারাজ এক বিশেষ যৌগিক আসনে বসে তাঁর পায়ের গোড়ালির দ্বারা গুহ্যদ্বার রুদ্ধ করেছিলেন এবং প্রাণবায়ুকে ধীরে ধীরে ঊর্ধ্বে উত্তোলন করে প্রথমে নাভিদেশের চক্রে, তারপর হৃদ্দেশের চক্রে, তারপর কন্ঠের চক্রে এবং অবশেষে ভ্রুযুগলের মধ্যবর্তী চক্রে উত্তোলন করেছিলেন। এইভাবে পৃথু মহারাজ ধীরে ধীরে তাঁর প্রাণবায়ুকে ব্রহ্মরন্ধ্রে উত্তোলন করেছিলেন। তখন তাঁর সমস্ত জড় বাসনা সমাপ্ত হয়েছিল। তারপর তিনি ধীরে ধীরে তার প্রাণবায়ুকে ব্রহ্মাণ্ডের সমস্ত বায়ুতে, তাঁর দেহের কঠিন ভাগকে সমগ্র পৃথিবীতে এবং তাঁর দেহের অগ্নিকে সমগ্র অগ্নিতে লীন করেছিলেন। এইভাবে পৃথু মহারাজ ইন্দ্রিয়ের ছিদ্রগুলিকে আকাশে, রক্ত আদি দেহের তরল অংশকে সমগ্র জলে লীন করেছিলেন। তারপর তিনি পৃথিবীকে জলে, জলকে অগ্নিতে, অগ্নিকে বায়ুতে এবং বায়ুকে আকাশে লয় করেছিলেন। তিনি স্থিতি অনুসারে, মনকে ইন্দ্রিয়ে এবং ইন্দ্রিয়গুলিকে তাদের উৎপত্তিস্থল তন্মাত্রে যোজন করেছিলেন। তারপর তিনি তন্মাত্রকে অহঙ্কারে এবং অহঙ্কারকে মহত্তত্ত্বে যোজিত করেছিলেন। তারপর পৃথু মহারাজ জীবাত্মার সম্পূর্ণ উপাধি মায়ার পরম নিয়ন্তাকে অর্পণ করেছিলেন। যে উপাধির দ্বারা জীব বদ্ধ হয়, সেই সমস্ত উপাধি থেকে তিনি জ্ঞান, বৈরাগ্য ও ভক্তির আধ্যাত্মিক শক্তির দ্বারা মুক্ত হয়েছিলেন। এইভাবে তাঁর কৃষ্ণভাবনাময় স্বরূপে অবস্থিত হয়ে, তিনি ইন্দ্রিয়ের নিয়ন্তা বা প্রভুরূপ তাঁর দেহ ত্যাগ করেছিলেন।”
“পৃথু মহারাজের পত্নী মহারাণী অর্চি ছিলেন অত্যন্ত কোমলাঙ্গী, তিনি তাঁর পতির অনুগামিনী হয়ে বনে গমন করেছিলেন। যদিও তাঁর বনে বাস করার প্রয়োজন ছিল না, তবুও তিনি স্বেচ্ছায় তাঁর চরণ-কমলের দ্বারা ভূমি স্পর্শ করেছিলেন। মহারাণী অর্চি যদিও এই প্রকার কষ্টে অভ্যস্ত ছিলেন না, তবুও তিনি মহর্ষির মতো বনবাসী তাঁর পতির অনুগমন করেছিলেন। তিনি ভূমিতে শয়ন করতেন এবং কেবল, ফল, ফুল ও পাতা ভক্ষণ করতেন এবং যেহেতু তিনি তাতে অভ্যস্ত ছিলেন না, তাই তিনি অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও, তাঁর পতির সেবা করে তিনি যে আনন্দ লাভ করতেন, তার ফলে তাঁর কোন প্রকার ক্লেশের অনুভূতি হত না। মহারাণী অর্চি যখন দেখলেন যে, তাঁর পতি, যিনি তাঁর প্রতি এবং সারা পৃথিবীর প্রতি অত্যন্ত দয়ালু ছিলেন, তিনি জীবনের কোন লক্ষণ প্রদর্শন করছেন না, তখন স্বল্পকাল তিনি বিলাপ করেছিলেন এবং তারপর এক পর্বত-শিখরে চিতা রচনা করে তাঁর পতির দেহ স্থাপন করেছিলেন। তারপর মহারাণী অন্তেষ্ট্যি-ক্রিয়ার সমস্ত কর্তব্য সম্পাদন করেছিলেন। নদীর জলে স্নান করে, তিনি তাঁর পতির উদ্দেশ্যে জলাঞ্জলি নিবেদন করেছিলেন। তারপর আকাশস্থ দেবতাদের উদ্দেশ্যে প্রণতি নিবেদন করে এবং তিনবার চিতা প্রদক্ষিণ করে, তাঁর পতির পাদপদ্ম ধ্যান করতে করতে তিনি চিতাগ্নিতে প্রবেশ করেছিলেন। মহান রাজা পৃথুর পতিব্রতা পত্নী অর্চির এই বীরত্বপূর্ণ কার্য দর্শন করে হাজার হাজার দেবপত্নীরা অত্যন্ত প্রসন্ন হয়ে, তাঁদের পতিগণ-সহ রাণীর স্তুতি করেছিলেন। সেই সময় দেবতারা মন্দর পর্বতের শিখরে দুন্দুভি বাজিয়েছিলেন এবং তাঁদের পত্নীরা সেই চিতার উপর পুষ্পবৃষ্টি করে পরস্পরের মধ্যে এইভাবে বলাবলি করেছিলেন- মহারাণী অর্চি ধন্যা। আমরা দেখতে পাচ্ছি যে, পৃথিবীর সমস্ত রাজাদের সম্রাট মহারাজ পৃথুর এই পত্নী তাঁর কায়, মন ও বাক্যের দ্বারা তাঁর পতির সেবা করছেন, ঠিক যেভাবে লক্ষ্মীদেবী যজ্ঞেশ্বর ভগবান বিষ্ণুর সেবা করেন। দেখ কিভাবে সতী অর্চি তাঁর অচিন্ত্য পুণ্যকর্মের প্রভাবে, এখনও তাঁর পতির অনুগমন করে, যতদূর পর্যন্ত আমরা দেখতে পাচ্ছি, ঊর্ধ্বগামিনী হচ্ছেন। এই জড় জগতে প্রতিটি মানুষের আয়ু অত্যন্ত অল্প, কিন্তু যাঁরা ভগবানের সেবায় যুক্ত, তাঁরা তাঁদের প্রকৃত আলয় ভগবদ্ধামে ফিরে যান। কারণ তাঁরা প্রকৃতপক্ষে মুক্তির পথে অবস্থিত। এই প্রকার ব্যক্তিদের কাছে কোন কিছুই দুর্লভ নয়। যে-ব্যক্তি জন্ম-জন্মান্তরে বহু কৃচ্ছ্রসাধনের ফলে, এই পৃথিবীতে অপবর্গের দ্বারস্বরূপ মনুষ্য-জন্ম লাভ করেও অনিত্য বিষয়ে আসক্ত হয়ে পড়ে, তাকে অবশ্যই আত্মদ্রোহী এবং বঞ্চিত বলে বিবেচনা করতে হবে।”
“মহর্ষি মৈত্রেয় বললেন- “হে বিদুর! স্বর্গের দেবতাদের পত্নীরা যখন নিজেদের মধ্যে এইভাবে বলাবলি করছিলেন, তখন মহারাণী অর্চি সেই লোকে পৌছেছিলেন, যে-লোকটি স্বরূপসিদ্ধ ব্যক্তিদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ তাঁর পতি পৃথু মহারাজ প্রাপ্ত হয়েছিলেন। ভক্তশ্রেষ্ঠ মহারাজ পৃথু ছিলেন অত্যন্ত শক্তিমান এবং তাঁর চরিত্র ছিল উদার, চমৎকার ও মহৎ। তাই আমি তাঁর কথা তোমার কাছে যথাসাধ্য বর্ণনা করলাম। যে ব্যক্তি পৃথু মহারাজের মহান চরিত্র শ্রদ্ধা ও মনোযোগ সহকারে পাঠ করেন, অথবা শ্রবণ করেন অথবা অন্যদের তা শোনান, তিনি নিশ্চিতভাবে পৃথু মহারাজের লোক প্রাপ্ত হবেন। অর্থাৎ তিনি ভগবদ্ধাম বৈকুন্ঠলোক ফিরে যাবেন। পৃথু মহারাজের চরিত্র শ্রবণ করে ব্রাহ্মণ ব্রহ্মতেজ প্রাপ্ত হন, ক্ষত্রিয় সারা পৃথিবীর রাজা হন; বৈশ্য অন্য বৈশ্য ও পশুদের উপর প্রভুত্ব লাভ করেন এবং শূদ্র শ্রেষ্ঠ ভক্ত হন। স্ত্রী-পুরুষ নির্বিশেষে, গভীর শ্রদ্ধা সহকারে পৃথু মহারাজের এই কাহিনী শ্রবন করলে পুত্রহীন বহু পুত্রলাভ করবেন এবং নির্ধন ব্যক্তি ধনীশ্রেষ্ঠ হবেন। এই বৃত্তান্ত তিনবার শ্রবণ করলে, যশহীন ব্যক্তি অত্যন্ত যশস্বী হবেন এবং মূর্খ ব্যক্তি মহাপণ্ডিত হবেন। অর্থাৎ, পৃথু মহারাজের বৃত্তান্ত এতই মঙ্গলজনক যে, তা সমস্ত অমঙ্গল দূর করে। পৃথু মহারাজের কাহিনী শ্রবণ করে মানুষ মহান হতে পারে, আয়ু বৃদ্ধি করতে পারে, স্বর্গলোকে উন্নীত হতে পারে এবং কলিযুগের কলুষ নাশ করতে পারে। অধিকন্তু, ধর্ম, অর্থ, কাম ও মোক্ষের পথেও উন্নতিসাধন করতে পারে। অতএব, এই সমস্ত বিষয়ে আগ্রহশীল জড় বিষয়াসক্ত মানুষদের উপদেশ দেওয়া হয়েছে যে, তাঁরা যেন পৃথু মহারাজের জীবন ও চরিত্র পাঠ করেন এবং শ্রবণ করেন। শাসন ক্ষমতা ও জয়লাভে ইচ্ছুক কোনও রাজা যদি পৃথু মহারাজের কাহিনী তিনবার উচ্চারণ করে তাঁর রথে চড়ে যাত্রা করেন, তা হলে তাঁর আদেশে অন্য সমস্ত রাজারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাঁকে কর প্রদান করবেন, ঠিক যেভাবে তাঁরা পৃথু মহারাজকে তাঁর আদেশ মাত্রই কর প্রদান করেছিলেন। শুদ্ধ ভক্ত ভগবদ্ভক্তির বিবিধ পন্থা পালন করে চিন্ময় পদে স্থিত হয়ে, সম্পূর্ণরূপে কৃষ্ণভাবনাময় মগ্ন হতে পারেন, তবুও ভগবদ্ভক্তি সম্পাদন করার সময়, পৃথু মহারাজের জীবন ও চরিত্র সম্বন্ধে নিজে শ্রবণ করা, পাঠ করা এবং অন্যদের শ্রবণ করানো তাঁর অবশ্য কর্তব্য।”
“হে বিদুর! আমি যথাসাধ্য পৃথু মহারাজের চরিত্র কীর্তন করলাম, যা ভগবদ্ভক্তি বৃদ্ধি করে। যিনি এই সুযোগের সদ্ব্যবহার করবেন, তিনিও পৃথু মহারাজের মতো ভগবদ্ধামে ফিরে যাবেন। যিনি পৃথু মহারাজের কার্যকলাপের বৃত্তান্ত নিয়মিতভাবে অত্যন্ত শ্রদ্ধাপূর্বক পাঠ করেন, কীর্তন করেন এবং বর্ণনা করেন, ভগবানের শ্রীপাদপদ্মের প্রতি তাঁর অবচলিত শ্রদ্ধা ও আকর্ষণ নিশ্চিতভাবে বর্ধিত হবে। ভগবানের শ্রীপাদপদ্ম সংসার-সমুদ্র পার হওয়ার তরণিসদৃশ।”
ত্রয়োবিংশতি অধ্যায়- পৃথু মহারাজের ভগবদ্ধামে গমন
26 Aug 2025 Leave a comment
in অমল পুরান, চতুর্থ স্কন্ধ- ভগবদ্ভক্তদের প্রতি অনুগ্রহ