মহর্ষি মৈত্রেয় বললেন- “দ্বিধাগ্রস্ত সতীকে এইভাবে উপদেশ দিয়ে শিব নীরব হলেন। সতী তাঁর পিতৃগৃহে আত্মীয়-স্বজনদের দর্শন করার জন্য অত্যন্ত উৎকন্ঠিত হয়েছিলেন, কিন্তু সেই সঙ্গে তিনি শিবের সাবধান বাণীতেও ভয়ভীতা হয়েছিলেন। দোদুল্যমান চিত্তে তিনি একবার গৃহ থেকে নির্গত হয়ে পর মুহূর্তে আবার গৃহে প্রবেশ করেছিলেন। এইভাবে তাঁর পিতার গৃহে তাঁর আত্মীয়-স্বজনদের দর্শনের বাসনায় ব্যাঘাত হওয়ার ফলে, সতী অত্যন্ত বিষন্ন হয়েছিলেন এবং তাঁদের প্রতি প্রেমাতিশয্যবশত তাঁর চোখ দিয়ে অশ্রুধারা ঝড়ে পড়ছিল। অত্যন্ত বিহ্বল হয়ে তিনি কাঁপতে লাগলেন এবং ক্রোধভরে তাঁর অসমোর্ধ্ব পতি শিবের প্রতি এমনভাবে তাকিয়েছিলেন, যেন তিনি তাঁর সেই ক্রোধাগ্নির দ্বারা তাঁকে ভস্ম করে ফেলবেন। তার পর সতী তাঁর পতি, যিনি প্রেমের বশে তাঁকে তাঁর অর্ধাঙ্গ প্রদান করেছিলেন, সেই শিবকে পরিত্যাগ করে, ক্রোধ এবং শোকের ফলে দীর্ঘ নিঃশ্বাস পরিত্যাগ করতে করতে তাঁর পিতার গৃহে গমন করেছিলেন। দুর্বল স্ত্রীস্বভাববশত তিনি এই প্রকার নির্বোধের মতো আচরণ করেছিলেন। মনিমান, মদ আদি শিবের হাজার হাজার অনুচরেরা এবং যক্ষ পার্ষদেরা যখন দেখলেন যে, সতী একাকিনী দ্রুত গতিতে প্রস্থান করছেন, তখন তাঁরা বৃষেন্দ্র নন্দীকে অগ্রে করে সতীর পশ্চাৎ পশ্চাৎ ধাবিত হলেন। শিবের অনুচররা সতীকে বৃষের উপর বসিয়েছিলেন এবং তাঁকে তাঁর পোষা পাখিটি দিয়েছিলেন। তাঁরা কমল, দর্পণ ইত্যাদি তাঁর উপভোগের সমস্ত সামগ্রীগুলি নিয়েছিলেন এবং তাঁর মাথার উপর একটি বিশাল চন্দ্রাতপ টাঙিয়েছিলেন। দুন্দুভি, শঙ্খ, বেণু ইত্যাদি সহকারে তাঁরা তাঁর সঙ্গে গমন করেছিলেন এবং তাঁদের সেই যাত্রাকে এক অতি আড়ম্বরপূর্ণ রাজকীয় শোভাযাত্রার মতো মনে হয়েছিল। সতী যখন তাঁর পিতৃগৃহে প্রবেশ করলেন, তখন সেখানে যজ্ঞ অনুষ্ঠান হচ্ছিল এবং সেই যজ্ঞস্থলে তখন সকলে বৈদিক মন্ত্র উচ্চারণ করছিলেন। সেখানে মহর্ষিগণ, ব্রাহ্মণগণ ও দেবতাগণ সমবেত হয়েছিলেন এবং যজ্ঞের জন্য সেখানে বহু পশু রাখা হয়েছিল এবং মৃত্তিকা, লৌহ, স্বর্ণ, কাষ্ঠ, কুশ ও চর্মনির্মিত ভান্ডসমূহ সাজানো হয়েছিল। সতী যখন তাঁর অনুচরদের সঙ্গে যজ্ঞস্থলে উপস্থিত হলেন, তখন দক্ষের ভয়ে কেউই তাঁকে সাদরে সম্ভাষণ জানালেন না। কিন্তু তাঁর মাতা এবং ভগ্নীরা অশ্রুপূর্ণ নয়নে এবং হর্ষোৎফুল্ল বদনে তাঁকে সস্নেহে আলিঙ্গন করেছিলেন এবং অত্যন্ত মধুর বচনে তাঁর সঙ্গে বাক্যালাপ করেছিলেন। যদিও তাঁর ভগ্নী এবং মাতা তাঁকে সাদরে গ্রহণ করেছিলেন, কিন্তু সতী তাঁদের স্বাগত বচনের কোন উত্তর দেননি এবং যদিও তাঁকে আসন ও উপহার প্রদান করা হয়েছিল, তিনি সেগুলির কোনটিই গ্রহণ করেননি, কারণ তাঁর পিতা তাঁর সঙ্গে কোন কথা বলেননি এবং কুশল প্রশ্নের দ্বারা তাঁকে স্বাগত জানাননি।”
“যজ্ঞস্থলে গিয়ে সতী দেখলেন যে, তাঁর পতি শিবকে কোন যজ্ঞভাগ দেওয়া হয়নি। তখন তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে, শিবকে তাঁর পিতা যজ্ঞে আমন্ত্রণ না করে কেবল অবজ্ঞাই করেননি, অধিকন্তু তাঁর মহীয়সী পত্নীকেও অনাদর করেছেন। তার ফলে তিনি এত ক্রুদ্ধ হয়েছিলেন যে, তিনি তাঁর পিতার প্রতি এমনভাবে দৃষ্টিপাত করেছিলেন যেন তিনি তাঁকে ভস্ম করে ফেলবেন। শিবের অনুচর ভূতেরা দক্ষকে আঘাত করতে অথবা হত্যা করতে প্রস্তুত হয়েছিল, কিন্তু সতী তাদের নিবৃত্ত হওয়ার আদেশ দেন। তিনি অত্যন্ত ক্রুদ্ধ ও বিষণ্ন হয়েছিলেন এবং তখন তিনি কর্ম-মার্গে যজ্ঞ-পন্থার নিন্দা এবং এবং যাঁরা সেই অর্থহীন ও কষ্টকর যজ্ঞ অনুষ্ঠান করার ফলে অত্যন্ত গর্বোদ্ধত হয়, তাঁদের ভর্ৎসনা করতে শুরু করেছিলেন। তিনি বিশেষ করে সকলের সমক্ষে তাঁর পিতার নিন্দা করেছিলেন।”
দেবী বললেন- “শিব সমস্ত জীবের প্রিয়তম। তাঁর কোন প্রতিদ্বন্দ্বী নেই। কেউ তাঁর অত্যন্ত প্রিয় নয়, আবার কেউ তাঁর শত্রুও নয়। আপনি ছাড়া আর কেউই সেই সর্ব প্রকার শত্রুতা থেকে মুক্ত এই প্রকার বিশ্বাত্মার প্রতি ঈর্ষাপরায়ণ হতে পারে না। হে দ্বিজ (দক্ষ)! আপনার মতো ব্যক্তিরাই অন্যের গুণের মধ্যে দোষ দর্শন করেন। কিন্তু শিব কেবল অদোষদর্শীই নন, যদি কারও মধ্যে একটুও গুণ থাকে, তা হলে তিনি তা মহৎ বলে প্রশংসা করেন। দুর্ভাগ্যবশত, আপনি সেই প্রকার একজন মহাত্মার দোষ দর্শন করেছেন। যারা নশ্বর জড় দেহটিকে আত্মা বলে মনে করে, তারা যে সর্বদা মহাত্মাদের নিন্দা করে তাতে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই। জড় বিষয়ে আসক্ত ব্যক্তিদের এই প্রকার ইর্ষা অতি উত্তম, কারণ তার ফলে তারা অধঃপতিত হয়। মহাপুরুষদের পদরেণুসমূহ তাদের তেজ নাশ করে।”
“হে পিতা! দুই অক্ষর-সমন্বিত যাঁর নাম উচ্চারণের ফলে সমস্ত পাপ বিনষ্ট হয় এবং মানুষ পবিত্র হয়, যাঁর আদেশ কখনও লঙ্ঘন করা যায় না, সেই শিবের প্রতি বিদ্বেষ-ভাবাপন্ন হয়ে, আপনি ঘোরতর অপরাধ করেছেন। শিব সর্বদাই পবিত্র এবং মঙ্গল-স্বরূপ এবং আপনি ছাড়া আর কেউই তাঁর প্রতি দ্বেষ করেন না। আপনি সেই শিবের প্রতি হিংসা করেছেন, যিনি ত্রিভুবনের সমস্ত প্রাণীদের বন্ধু। তিনি সাধারন মানুষদের সমস্ত বাসনা পূর্ণ করেন এবং যাঁরা ব্রহ্মানন্দরূপ অমৃতের অন্বেষণে তাঁর শ্রীপাদপদ্মের ধ্যান করেন, সেই সমস্ত মহাত্মাদেরও তিনি কৃপা করেন। আপনি কি মনে করেন, যিনি শ্মশানে পিশাচদের সঙ্গে থাকেন, যাঁর জটাজুট তাঁর সারা শরীরে বিক্ষিপ্ত, যাঁর গলায় মুণ্ডমালা এবং শ্মশানের ভস্ম যাঁর সর্বাঙ্গে লিপ্ত, শিব নামক সেই অশিব ( অমঙ্গলজনক) ব্যক্তিটিকে আপনার থেকে অনেক বেশি সম্মানিত ব্রহ্মা আদি দেবতাগণ জানেন না? তাঁর এই সমস্ত অশুভ গুণ থাকা সত্ত্বেও ব্রহ্মার মতো মহাপুরুষেরা গভীর শ্রদ্ধা সহকারে তাঁর শ্রীপাদপদ্মে নিবেদিত পুষ্প মস্তকে ধারণ করেন।”
“যদি কোন দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যক্তি ধর্মরক্ষক প্রভুর নিন্দা করে, তা হলে ভৃত্যের কর্তব্য হচ্ছে তাকে দণ্ডদান করতে সমর্থন না হলে, তাঁর কান আচ্ছাদন করে সেখান থেকে চলে যাওয়া। কিন্তু তিনি যদি মারতে সক্ষম হন, তা হলে বলপূর্বক সেই নিন্দুকের জিহ্বা ছেদন করা উচিত অথবা তাকে বধ করা উচিত। তার পর নিজের জীবন ত্যাগ করা উচিত। তাই আমি আর এই অযোগ্য শরীর ধারণ করব না, যা আমি আপনার কাছ থেকে প্রাপ্ত হয়েছি, কারণ আপনি শিবের নিন্দা করেছেন। কেউ যদি ভ্রান্তিবশত কোন বিষাক্ত খাদ্য ভক্ষণ করে ফেলে, তা হলে তা বমন করাই তার নিরাময়ের শ্রেষ্ঠ উপায়। অন্যের সমালোচনা না করে নিজের কর্তব্য কর্ম সম্পাদন করাই শ্রেয়। অতি উচ্চ স্তরের পরমার্থবাদীরা কখনও কখনও বেদের বিধি-নিষেধ লঙ্ঘন করেন, কারণ তাঁদের সেইগুলি অনুসরণ করার আবশ্যকতা হয় না, ঠিক যেমন দেবতারা অন্তরীক্ষে বিচরণ করেন, কিন্তু সাধারণ মানুষেরা ভূপৃষ্টে ভ্রমণ করে। বেদে দুই প্রকার কর্মের নির্দেশ রয়েছে- বিষয়াসক্ত ব্যক্তিদের জন্য প্রবৃত্তি মার্গ এবং বিষয় বিরক্ত ব্যক্তিদের জন্য নিবৃত্তি মার্গ। এই দুই প্রকার কর্ম অনুসারে, ভিন্ন লক্ষণ-সমন্বিত দুই প্রকার মানুষ রয়েছে। যদি কেউ একই ব্যক্তিতে দুই প্রকার কর্ম দেখতে চান, তা হলে পরস্পর-বিরোধী হবে। কিন্তু যিনি চিন্ময় স্তরে অবস্থিত, তিনি এই দুই প্রকার কার্যকলাপই উপেক্ষা করেন।”
“হে পিতা! আমাদের কাছে যে ঐশ্বর্য রয়েছে, তা আপনার এবং আপনার তোষামোদকারীদের কল্পনারও অতীত। যারা মহান যজ্ঞ অনুষ্ঠান করে সকাম কর্মে প্রবৃত্ত হয়, তারা কেবল যজ্ঞান্ন ভোজন করে তাদের দেহের আবশ্যকতাগুলিই চরিতার্থ করার ব্যাপারে মগ্ন থাকে, কিন্তু আমরা কেবল ইচ্ছার দ্বারা আমাদের ঐশ্বর্য প্রদর্শণ করতে পারি। বিষয়ের প্রতি অনাসক্ত আত্মতত্ত্ববেত্তা মহাপুরুষেরাই কেবল সেই প্রকার ঐশ্বর্য লাভ করতে পারেন। আপনি শিবের চরণ-কমলে অপরাধ করেছেন এবং দুর্ভাগ্যবশত আমার এই শরীর আপনার থেকে উৎপন্ন হয়েছে। আপনার সঙ্গে আমার এই দৈহিক সম্পর্কের ফলে আমি অত্যন্ত লজ্জিত। মহাপুরুষের চরণ-কমলের প্রতি অপরাধী ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্কের ফলে, আমার এই দেহ দূষিত হয়েছে বলে আমি নিজেকে ধিক্কার দিই। শিব যখন আমাকে দাক্ষায়ণী বলে সম্বোধন করেন, তখন আপনার সঙ্গে আমার সম্পর্কের কথা মনে হলে, আমি অত্যন্ত বিষণ্ন হই এবং আমার আনন্দ ও হাসি তৎক্ষণাৎ অদৃশ্য হয়ে যায়। একটি থলির মতো আমার এই দেহটি যে আপনার থেকে উৎপন্ন হয়েছে, সেই জন্য আমার অত্যন্ত দুঃখ হয়। তাই আমি এই শরীর ত্যাগ করব।”
মৈত্রেয় ঋষি বিদুরকে বললেন- “হে শত্রুসংহারক! যজ্ঞস্থলে তাঁর পিতাকে এইভাবে বলে, সতী উত্তরমুখী হয়ে ভূমিতে উপবেশন করেছিলেন। গৈরিক বসন পরিহিতা সতী তার পর জল স্পর্শ দ্বারা নিজে পবিত্র হয়ে, চক্ষু নিমীলিত করে যৌগিক পন্থায় ধ্যানমগ্ন হয়েছিলেন। প্রথমে তিনি নির্দিষ্ট রীতি অনুসারে আসনে উপবেশন করেছিলেন এবং তার পর তিনি প্রাণ বায়ুকে ঊর্ধ্বগামী করে নাভিচক্রে সাম্যাবস্থায় স্থাপন করেছিলেন। তার পর তিনি বুদ্ধি সহ প্রাণ বায়ুকে হৃদয়ে এবং তার পর ধীরে ধীরে ফুসফুস মার্গ থেকে ভ্রূযুগলের মধ্যে নিয়ে গিয়েছিলেন। মহর্ষি এবং মহাত্মাদের পূজ্যতম শিব যে দেহ অত্যন্ত আদর এবং প্রীতি সহকারে তাঁর কোলে স্থাপন করতেন, তাঁর পিতা দক্ষের প্রতি ক্রোধবশত সেই দেহ ত্যাগ করার জন্য সতী তার দেহের ভিতর অগ্নিময় বায়ুর ধ্যান করতে শুরু করেছিলেন। সতী তার চেতনাকে একাগ্রীভূত করে তাঁর পতি জগদ্গুরু শিবের পবিত্র চরণকমলের ধ্যানে মগ্ন হয়েছিলেন। এইভাবে তিনি সমস্ত অনর্থ থেকে মুক্ত হয়েছিলেন এবং অগ্মিময় তত্ত্বের ধ্যান করে প্রজ্বলিত অগ্নিতে তার দেহ ত্যাগ করেছিলেন।”
“সতী যখন ক্রোধবশে তাঁর দেহ ত্যাগ করেছিলেন, তখন সমগ্র ব্রহ্মান্ড জুড়ে এক সুমহান হা হা রব সমুত্থিত হয়েছিল। সকলেই বলতে লাগলেন- হায়! পূজ্যতম দেবতা শিবের পত্নী সতী কেন এইভাবে দেহত্যাগ করলেন? এটি অত্যন্ত আশ্চর্যের বিষয় যে, প্রজাপতি দক্ষ, যিনি সমস্ত জীবের পালনকর্তা, তিনি তাঁর তাঁর অতি সাধ্বী এবং মনস্বিনী কন্যা সতীর প্রতি এত অনাদর করেছিলেন যে, তাঁর সেই অবজ্ঞার ফলে তিনি দেহত্যাগ করেছেন। দক্ষ এতই কঠোর হৃদয় যে, তিনি ব্রাহ্মণ হওয়ার অযোগ্য। তাঁর কন্যাকে দেহত্যাগ থেকে নিবারণ না করার ফলে কন্যার প্রতি অপরাধের জন্য এবং ভগবান শিবের প্রতি অত্যন্ত বিদ্বেষ করার ফলে, তাঁর অশেষ অপযশ লাভ হবে। সতীর এই আশ্চর্যজনক স্বেচ্ছা মৃত্যুতে যখন সকলে এইভাবে কথা বলছিলেন, তখন সতীর সঙ্গে শিবের যে-সমস্ত অনুচরেরা এসেছিলেন, তাঁরা তাঁদের অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে দক্ষকে হত্যা করতে উদ্যত হয়েছিলেন। তাদের প্রবল বেগে আসতে দেখে, ভৃগু মুনি বিপদ আশঙ্কা করে, যজ্ঞবিনাশকারীদের অচিরে হত্যা করার উদ্দেশ্যে তৎক্ষণাৎ যজুর্বেদীয় মন্ত্র উচ্চারণপূর্বক দক্ষিণ দিকস্থ যজ্ঞাগ্নিতে আহুতি প্রদান করেছিলেন। ভৃগু মুনি যখন যজ্ঞে আহুতি দিলেন, তৎক্ষণাৎ ঋভু নামক হাজার হাজার দেবতা প্রকট হয়েছিলেন। তাঁরা সকলেই ছিলেন অত্যন্ত শক্তিশালী এবং তাঁরা সোম অর্থাৎ চন্দ্রদেব থেকে তাঁদের শক্তি প্রাপ্ত হয়েছিলেন। ঋভু দেবতারা যখন যজ্ঞাগ্নি থেকে জ্বলন্ত সমিধ্ নিয়ে ভূত ও গুহ্যকদের আক্রমণ করেছিলেন, তখন সতীর সেই সমস্ত অনুচরেরা বিভিন্ন দিকে পলায়ন করেছিলেন। তা সম্ভব হয়েছিল কেবল ব্রহ্মতেজের জন্য।”
চতুর্থ অধ্যায়- সতীর দেহত্যাগ
21 Jul 2025 Leave a comment
in অমল পুরান, চতুর্থ স্কন্ধ- ভগবদ্ভক্তদের প্রতি অনুগ্রহ