১৯৩৯ সালে কলকাতায় প্লেগ রোগ ছড়ায, এতে অনেক লোক আক্রান্ত হয় ও মারা যায়। প্লেগ রোগের কারণ হল ইঁদুর। তখন এক সমাজ ব্যবস্থাপক ঘোষনা করল যে, কেউ যদি একটি ইঁদুর ধরে দিতে পারে তবে তাকে পাঁচ পয়সা করে দেয়া হবে। একজন ভিক্ষুক কোন মাধ্যমে এটা জানতে পারল এবং সে ভাবল এটা আমার জন্য কিছু টাকা উপার্জন করার একটি বড় সুযোগ। ভিক্ষকটি ইঁদুর খুঁজতে লাগল, অবশেষে নর্দমায় একটি মৃত ইঁদুর দেখতে পেল। সে ঐ ইঁদুরটিকে ধরে নিয়ে সমাজ ব্যবস্থাপকের অফিসে জমা দিল এবং তাকে পাঁচ পয়সা দেওয়া হল। সে পাঁচ পয়সা দিয়ে কিছু ফল কিনল যা সে পনের পয়সা বিক্রি করল। পনের পয়সা দিয়ে একটি ছোট যন্ত্র কিনল এবং সেটা পঞ্চাশ পয়সা বিক্রি করল। তারপর অন্য একটি যন্ত্র কিনে ১ রূপিতে বিক্রি করল। এবার ১ রূপিকে কাপড়ে বিনিযোগ করে ১০ রূপীতে বিক্রয় করল। এইভাবে কাপড়ের ব্যবসা করতে থাকল। একসময় ১৯৪০ সাল থেকে ১৯৫০ সাল এর মধ্যে সে সবচেয়ে বড় পাইকারী ব্যবসায়ীতে পরিণত হল। এভাবে সে বিরাট ধনীতে পরিণত হল। সে তার দোকানের প্রতীক হিসাবে রাখল একটি “মৃত ইঁদুর”।
। হিতোপদেশ।
কেবলমাত্র ব্রাহ্মণেরাই আধ্যাত্মিক জীবন চর্চা করবে এমন নয়। প্রতিটি মানুষের আধ্যাত্মিকতা চর্চা করা শুধুমাত্র তার অধিকারই নয় কর্তব্যও বটে। “অথাতো ব্রহ্মজিজ্ঞাসা”। এভাবে প্রত্যেকেই নিজেকে ব্রাহ্মণ স্তরে উন্নীত করতে পারে।