একদা এক নবাব ছিল। তার এত পরিমানে অর্থ ছিল যে, সে এই অর্থ দিয়ে কি করবে জানতো না। একদিন তার সেবক একটি বড় মূল্যবান স্ফটিক ঝাড়বাতি পরিষ্কার করছিল। যখন স্ফটিক ঝাড়বাতিটি পরিস্কার করছিল তখন একটি স্ফটিক নিচে পড়ে গেল। এটা মেঝেতে অস্বাভাবিক ঝনঝন শব্দ করে বিধ্বস্ত হল। যা নবাব তার কক্ষ থেকে শুনতে পেল। নবাব দৌড়ে বের হয়ে এলেন। এটা কিসের শব্দ। সেবকটি ভয়ে ভীত হয়েছিল এবং ক্ষমা চাইল। আমি দুঃখিত আমি যখন ঝাড়বাতিটি পরিষ্কার করছিলাম, একটি মূলবান স্ফটিক মেঝেতে পড়ে চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে গেল। আমি খুবই দুঃখিত। ও! এটা খুব সুন্দর শব্দ ছিল। আরো একটি নিচে ফেল। তাই সেবকটি অন্য আরেকটি মেঝেতে চূর্ণ বিচূর্ণ করলে খুব সুন্দর শব্দ, অন্য আর একটি ফেলে দাও। এইভাবে ঝাড়বাতির প্রত্যেকটি স্ফটিক মেঝেতে ফেলে চূর্ণ বিচূর্ণ করা হল। কারণ নবাবের হস্তগত প্রচুর অর্থ ছিল, সে যা কিছু তাই করতে পারে।
। হিতোপদেশ।
একজনের উচিত তার সম্পদ কৃষ্ণের সেবায় ব্যবহার করা। যদি কেউ নিজের ইন্দ্রিয় তৃপ্তির জন্য সম্পদ জড়ো করে, সে খুব শীঘ্রই বাতিকগ্রস্থ হয়ে যাবে।