একসময় একজন খুবই স্বার্থপর কালী মাতার ভক্ত মন্দিরে গেছে কিছু জড় জাগতিক লাভের প্রত্যাশায়। কালীমাতার কাছে সে প্রার্থনা করছে। ও মাতা কালী দয়া করে তুমি আমাকে আরও টাকা, ধন এবং সুখ দাও যাতে আমার ইচ্ছাপূরণ হয়। যদি তুমি আমার ইচ্ছাপূরণ কর তাহলে আমি তোমাকে একটা ছাগল দিব। তার প্রার্থনা ও পূজার পর, খুব শ্রীঘ্রই তার ইচ্ছাপূরণ হল। এরপর অনেকদিন হয়ে গেল, সে ভক্ত কালীমাতাকে দেওয়া কথা রাখল না। তাই একদিন কালীমাতা তাকে জিজ্ঞাসা করল- ছাগল কোথায়? তুমি আমাকে কথা দিয়েছিলে। ভক্ত- ও! এটি অনেক দামী ও ব্যয়বহুল। আমি মনে হয় তোমাকে ছাগল দিতে পারব না। কালীমাতা বলতে লাগল- ঠিক আছে, কিন্তু কিছু না কিছু দিতে হবে। কমপক্ষে একটা শুকরছানা দাও। সেই অবিবেচক ভক্ত মাতার কথার উত্তর না দিয়েই চলে গেল। তারপর এক অনুষ্ঠানে কালীমাতা তাকে আবার জিজ্ঞেস করল- শুকর ছানা কোথায়? সে সময়- সেই ভক্ত আবার তার কাছে ক্ষমা চাইল এবং বলতে লাগল- আমি দুঃখিত, কিন্তু আমি কোথাও কোনো শুকর ছানা খুঁজে পাইনি। এটি খুব সহজ নয়। ঠিক আছে তাহলে তুমি আমাকে একটা মাছি ধরে দাও, এটি ভাল নয় তুমি তোমার উপকার গ্রহণ করেছ। এখন তোমাকে অবশ্যই কিছু না কিছু তো দিতেই হবে। অবিবেচক ভক্তটি কোনো কিছুই দিতে রাজি নয় তাই সে কালী মাতাকে বলছে- এখানে তো অনেক মাছি তোমার চারপাশে উড়ে বেড়াচ্ছে। তুমি তোমার হাত দিয়েও ধরতে পারনা?
। হিতোপদেশ।
দেবতা পূজারীরা কোনো প্রেমপূর্ণ সেবার তোয়াক্কা করে না। এই ধরনের ভক্তরা খুবই স্বার্থপর এবং তারা শুধু তাদের নিজের ইন্দ্রিয় তৃপ্তিকে হৃদয় দিয়ে বিবেচনা করে।