পুরাকালে জাবালা নামে এক পতিতা পুত্র ছিল। সে একদা গৌতম মুনির আশ্রমে আসল এবং মনির কাছে নিজেকে শিষ্য হিসবে গ্রহণ করার জন্য প্রার্থনা করল।
মুনি তাকে জিজ্ঞাসা করলেন- তুমি কে?
জাবালা- আমি আমার মায়ের সন্তান এটিই যথেষ্ট নয় কি?
গৌতম মুনি- তাহলে তোমার পিতার নাম কি?
জাবালা- কিন্তু তা তো আমি জানি না।
গৌতম মুনি- তোমার মাতাকে জিজ্ঞাসা কর।
জাবালা তার মায়ের সাথে দেখা করার জন্য বাড়িতে এসে মাতাকে জিজ্ঞাসা করলো।
জাবালা- মাতা, আমি গৌতম মুনিকে আমার গুরু হিসাবে গ্রহণ করার জন্য প্রার্থনা করেছিলাম। কিন্তু, তিনি আমার পিতার নাম জানার জন্য আপনার নিকট পাঠালেন। মাতা তাহলে বলুন আমার পিতা কে?
উত্তরে জাবালার মাতা বললেন পুত্র, কে তোমার পিতা? তা আমারও জানা নেই।
তখন জাবালা আবার গৌতম মুনির আশ্রমে ফিরে গেলেন। সেখানে পৌছে গৌতম মুনির নিকট অত্যন্ত দীনতার সাথে জাবালা উত্তর প্রদান করলেন-
জাবালা- প্রভু আমার মাতাও জানে না প্রকৃতপক্ষে কে আমার পিতা?
গৌতম মুনি- হ্যাঁ হ্যাঁ তুমিই প্রকৃত ব্রাহ্মণ। আমি তোমাকে আমার শিষ্য হিসাবে গ্রহণ করলাম কারণ তুমি সত্য কথা বলেছ। যেহেতু তোমার সত্যবাদীতার গুণ রয়েছে, তাই আমি তোমাকে আমার শিষ্য হিসাবে গ্রহণ করব।
। হিতোপদেশ।
গৌতম মুনি জাবালাকে শিষ্যরূপে গ্রহণ করেছিলেন কারণ তার মধ্যে ব্রাহ্মণের সত্যবাদীতার গুণটি ছিল। কেউ কখনোই বলেন না, কে আমার পিতা তা আমার অজানা। এটি বর্তমান সমাজেও একটি ভিন্ন ঘটনা।