এক ব্যক্তি হঠাৎ জলে পড়ে গেল এবং বাঁচার জন্য চেষ্টা করতে লাগল। উপর থেকে তার স্ত্রী চিৎকার করে বলছে কে আছো আমার স্বামীকে সাহায্য কর, সে ডুবে যাচ্ছে।
তখন একজন সমাজ সেবক এগিয়ে এল এবং বলল, “কাকী, আপনি কোনো চিন্তা করবেন না, আমার কাজই হলো লোকদের বিপদ থেকে রক্ষা করা। লোকেরা যখন ক্ষুধার্থ হয়, তখন আমার কাছে আসে। যখন তাদের জামা কাপড়ের দরকার হয়, তখন আমার কাছে আসে। আমি তাদের সাহায্য করি।” ততক্ষণে সমাজ সেবকটি তার জামা, টাই, প্যান্ট খুলে জলে নেমে গেল।
জলে নিমগ্ন লোকটিকে উদ্ধার করে তীরের কাছে এসে হাতের মুষ্টি দিয়ে আঘাত করে মেরেই ফেলল। তারপর তার শার্টটি খুলে নিয়ে তীরে চলে আসল। তা দেখে স্ত্রী লোকটি বলল, “হায়! হায়! তুমি কি উদ্ধার করলে, তুমি তো শুধু তার কোটটিকে রক্ষা করেছ।”
। হিতোপদেশ।
প্রকৃতপক্ষে সমাজ সেবকরা ব্যক্তির জড় জাগতিক সমস্যার সমাধান করতে পারে। পোশাক বাঁচানোর ন্যায় তারা পারে না ব্যক্তির (আত্মার) যথার্থ কল্যাণ সাধন করতে। এটা সম্ভব কেবল আধ্যাত্মিক অনুশীলনের মাধ্যমে। তাহলেই কেবল আমরা নিজেদের এবং অন্যদের স্বরূপ উপলব্ধি করতে পারব। এই যুগে আধ্যাত্মিক উন্নতির জন্য সবচেয়ে সহজতর এবং গ্রহণযোগ্য উপায় হল ‘হরেকৃষ্ণ’ মহামন্ত্র জপ করা।