ত্রয়োদশ অধ্যায়- সিদ্ধ পুরুষের আচরণ

শ্রীনারদ মুনি বললেন- “আধ্যাত্মিক জ্ঞান অনুশীলনে সমর্থ ব্যক্তির কর্তব্য, সমস্ত জড় সম্পর্ক পরিত্যাগপূর্বক কেবল তাঁর দেহটি মাত্র অবশিষ্ট রেখে, প্রতি গ্রামে কেবল এক রাত্রি অবস্থান করে, এক স্থান থেকে আর এক স্থানে বিচরণ করা। এইভাবে, সন্ন্যাসীর কর্তব্য দেহের প্রয়োজনের জন্য কারও উপর নির্ভর না করে সারা পৃথিবী ভ্রমণ করা। সন্ন্যাসীর কেবল দেহ আচ্ছাদনের জন্যও বসন পরিধানের চেষ্টা করা উচিত নয়। তিনি যদি কোন কিছু পরিধান করেনও, তা হলে কেবলমাত্র কৌপীনই পরিধান করা উচিত এবং প্রয়োজন না হলে দণ্ডও গ্রহণ করা উচিত নয়। কেবল দণ্ড এবং কমণ্ডলু ছাড়া সন্ন্যাসীর অন্য কিছু বহন করা উচিত নয়। সন্ন্যাসী আত্মারাম, ভিক্ষা তাঁর উপজীবিকা, তিনি কোন স্থান বা ব্যক্তির উপর নিভর করেন না, তিনি সমস্ত জীবের সুহৃদ, শান্ত এবং নারায়ণের অনন্য ভক্ত। সন্ন্যাসীর কর্তব্য, এইভাবে এক স্থান থেকে আর এক স্থানে বিচরণ করা। সন্ন্যাসীর কর্তব্য পরম ব্রহ্মকে প্রত্যেক বস্তুতে ব্যাপ্তরূপে দর্শন করার চেষ্টা করা এবং ব্রহ্মাণ্ড সহ সমস্ত বস্তুকে পরব্রহ্মে আশ্রিতরূপে দর্শন করা। অচেতন, চেতন এবং এই দুইয়ের মধ্যবর্তী অবস্থায়, সন্ন্যাসীর কর্তব্য আত্মাতে অবস্থিত হয়ে, আত্মতত্ত্ব হৃদয়ঙ্গম করে, বন্ধন এবং মুক্তকে মায়ামাত্র ও অবাস্তব বলে বিবেচনা কর। এই প্রকার উন্নত উপলব্ধি প্রাপ্ত হয়ে, পরম ব্রহ্মকে সর্ব-ব্যাপ্তরূপে দর্শন করা উচিত। যেহেতু জড় দেহের বিনাশ অবশ্যম্ভাবী এবং জীবন অনিশ্চিত, তাই জীবন এবং মৃত্যু কোনটিরই অভিনন্দন করা উচিত নয়। পক্ষান্তরে, নিত্য কালকে অবলোকন করা উচিত, যাতে জীবের আবির্ভাব এবং তিরোভাব হয়। যে সমস্ত সাহিত্য কেবল অনর্থক সময়ের অপচয়ের জন্য পাঠ করা হয়, অর্থাৎ, যে সমস্ত গ্রন্থ পাঠে আধ্যাত্মিক লাভ হয় না, সেই সমস্ত গ্রন্থ ত্যাগ করা উচিত। জীবিকা নির্বাহের জন্য পেশাদারি শিক্ষক হওয়া উচিত নয় এবং বৃথা তর্ক-বিতর্কে লিপ্ত হওয়া উচিত নয়। কোন পক্ষ আশ্রয় করাও উচিত নয়। প্রলোভন আদির দ্বারা বহু শিষ্য সংগ্রহ করা সন্ন্যাসীর উচিত নয়, অনর্থক বহু গ্রন্থ পাঠ করা উচিত নয় এবং শাস্ত্রগ্রন্থ ব্যাখ্যা করার জন্য জীবিকা উপার্জন করা উচিত নয়। তাঁর পক্ষে অনর্থক জড় ঐশ্বর্য বৃদ্ধির কোন প্রয়াস করা উচিত নয়। আধ্যত্মিক চেতনায় প্রকৃতই উন্নত, শান্ত এবং সমদর্শী ব্যক্তির ত্রিদণ্ড, কমণ্ডলু আদি সন্ন্যাস আশ্রমের চিহ্ন ধারণ করার প্রয়োজন হয় না। আবশ্যকতা অনুসারে তিনি কখনও কখনও সেই চিহ্নগুলি ধারণ করতে পারেন এবং কখনও বর্জন করতে পারেন।”
“সাধু ব্যক্তি মানব-সমাজের কাছে নিজেকে প্রকাশ না করলেও, তাঁর আচরণের দ্বারা তাঁর উদ্দেশ্য প্রকাশিত হয়। তিনি মনীষী হলেও উন্মত্ত বালকের মতো এবং বাগ্মী হলেও মূকবৎ মানব-সমাজের কাছে নিজেকে প্রদর্শন করেন। এই বিষয়ে পণ্ডিতেরা প্রহ্লাদ মহারাজ এবং আজগর বৃত্তি অবলম্বনকারী এক মহাত্মা আলোচনা বিষয়ক একটি অতি প্রাচীন ইতিহাস দৃষ্টান্তস্বরূপ বলে থাকেন। ভগবানের পরম প্রিয় সেবক প্রহ্লাদ মহারাজ এক সময় তাঁর কয়েকজন অন্তরঙ্গ পার্ষদ পরিবৃত হয়ে, মহাত্মাদের প্রকৃতি অধ্যয়ন করার বাসনায় ব্রহ্মাণ্ডের সমস্ত লোকে বিচরণ করতে লাগলেন। এইভাবে তিনি কাবেরী নদীর তীরে সহ্য পর্বতের ধরাপৃষ্ঠে এসে উপনীত হন। সেখানে তিনি শায়িত এক মহাত্মাকে দর্শন করেন, যাঁর দেহ ধূলি-ধূসরিত হলেও আধ্যাত্মিক চেতনায় যিনি ছিলেন অত্যন্ত উন্নত। সেই মহাত্মার কার্যকলাপ, দেহের আকৃতি, বাক্য এবং বর্ণাশ্রম আদির চিহ্ন দ্বারা মানুষ বুঝতে পারেনি ইনিই তাদের সেই পরিচিত ব্যক্তিটি কি না। মহাভাগবত প্রহ্লাদ মহারাজ আজগর বৃত্তিপরায়ণ সেই মহাত্মাকে পূজা করেছিলেন এবং তাঁর মস্তক দ্বারা তাঁর চরণকমল স্পর্শপূর্বক প্রণতি নিবেদন করে, তাঁকে জানার উদ্দেশ্যে অত্যন্ত বিনীতভাবে এই প্রশ্নগুলি করেছিলেন।”
সেই মহাত্মাকে স্থূলকায় দর্শন করে প্রহ্লাদ মহারাজ জিজ্ঞাসা করেছিলেন- “হে মহাশয়, আপনি আপনার জীবিকা অর্জনের কোন চেষ্টা করেন না অথচ আপনি ভোগী ব্যক্তির মতো স্থূল দেহ ধারণ করেছেন। আমি জানি যে, যারা অত্যন্ত ধনবান এবং যাদের কিছুই করার নেই, তারাই খেয়ে এবং ঘুমিয়ে অত্যন্ত স্থূল দেহ প্রাপ্ত হয়। হে পূর্ণ দিব্যজ্ঞান সমন্বিত ব্রাহ্মণ, আপনার কিছুই করণীয় নেই এবং তাই আপনি শায়িত। আপনার ইন্দ্রিয়সুখ ভোগের জন্য অর্থও নেই। তা হলে ভোগরহিত আপনার দেহ এত স্থূল হল কি করে? আমার এই প্রশ্ন যদি অশালীন না হয়ে থাকে, তা হলে আপনি দয়া করে আমাকে বলুন তা হল কি করে। আপনি বিদ্বান, দক্ষ, বুদ্ধিমান এবং হৃদয়ের প্রসন্নতা বিধানকারী প্রিয়বাদী। সাধারণ মানুষদের সকাম কর্মে লিপ্ত থাকতে দেখেও আপনি নিরুদ্যম হয়ে শয়ান রয়েছেন।”
নারদ মুনি বললেন- “দৈত্যরাজ প্রহ্লাদ মহারাজের দ্বারা এইভাবে জিজ্ঞাসিত এবং তাঁর বাক্যামৃতে বশীভূত হয়ে, সেই মহাত্মা ঈষৎ হাস্য সহকারে এইভাবে উত্তর দিয়েছিলেন।”
সেই ব্রাহ্মণ মহাত্মা বললেন- “হে অসুরশ্রেষ্ঠ প্রহ্লাদ মহারাজ, আপনি সুসভ্য মানুষদের পূজ্য, আপনি জীবনের বিভিন্ন অবস্থা সম্বন্ধে অবগত, কারণ আপনি দিব্য চক্ষু লাভ করেছেন, যার দ্বারা আপনি মানুষের চরিত্র দর্শন করতে পারেন এবং মানুষের প্রবৃত্তি ও নিবৃত্তি সম্বন্ধে স্পষ্টভাবে অবগত। সর্বৈশ্বর্যপূর্ণ ভগবান নাায়ণ আপনার হৃদয়ে বিরাজ করেন, কারণ আপনি তাঁর শুদ্ধ ভক্ত। সূর্য যেমন জগতের অন্ধকার দূর করে, ঠিক তেমনই তিনিও সর্বদা আপনার অজ্ঞান অন্ধকার দূর করছেন। হে রাজন্, যদিও আপনি সব কিছুই জানেন, তবুও আপনি কয়েকটি প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন। মহাজনদের কাছে আমি যেভাবে শ্রবণ করেছি, সেই অনুসারে আমি আপনার প্রশ্নগুলির উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব। এই প্রসঙ্গে আমি নীরব থাকতে পারি না, কারণ আপনার মতো আত্ম-শুদ্ধকামী ব্যক্তি আমার সম্ভাষণের যোগ্য। অপূরণীয় কাম-বাসনার ফলে আমি সংসার প্রবাহে প্রবাহিত হচ্ছিলাম এবং এইভাবে আমি বিভিন্ন যোনিতে জীবন-সংগ্রামে লিপ্ত হয়ে, নানা রকম কার্যকলাপে যুক্ত হচ্ছিলাম। অবাঞ্ছিত জড় ইন্দ্রিয়তৃপ্তির বাসনাজনিত সকাম কর্মের ফলে, বিবর্তনের পন্থায় আমি এই মনুষ্য-শরীর প্রাপ্ত হয়েছি, যা স্বর্গ, মুক্তি, নিম্ন স্তরের যোনি অথবা পুনরায় মনুষ্যজন্ম প্রদান করতে পারে। মনুষ্য-জীবনে স্ত্রী এবং পুরুষ মৈথুনসুখ উপভোগের জন্য যুক্ত হয়, কিন্তু বাস্তবিক অভিজ্ঞতার দ্বারা আমরা দেখতে পাই যে, তারা কেউই সুখী নয়। তাই, বিপরীত ফল দর্শন করে আমি জড়-জাগতিক কর্ম থেকে নিবৃত্ত হয়েছি। জীব তার প্রকৃত স্বরূপে আনন্দময়। এই আনন্দ তখন লাভ হয়, যখন সে সমস্ত জড়-জাগতিক কার্যকলাপ থেকে নিবৃত্ত হয়। জড় সুখভোগ কল্পনা মাত্র। তাই সেই বিষয়ে বিবেচনা করে আমি সমস্ত জড়-জাগতিক কার্যকলাপ থেকে নিবৃত্ত হয়েছি এবং এখানে শায়িত রয়েছি। এইভাবে দেহের বন্ধনে আবদ্ধ জীবাত্মা তার স্বার্থ বিস্মৃত হয় কারণ সে তার দেহকে তার স্বরূপ বলে মনে করে। যেহেতু তার এই দেহ জড় তাই তার স্বাভাবিক প্রবৃত্তি হচ্ছে জড় জগতের বৈচিত্র্যের দ্বারা আকৃষ্ট হওয়া। তার ফলে জীব সংসার-দুঃখ ভোগ করে। হরিণ যেমন অজ্ঞানবশত তৃণাচ্ছন্ন জলাশয় দর্শন না করে মরীচিকার পিছনে ধাবিত হয়, জড় দেহের দ্বারা আচ্ছাদিত জীবও তেমনই তার নিজের মধ্যে যে আনন্দ রয়েছে তা দর্শন না করে, জড় সুখের প্রতি ধাবিত হয়। জীব সুখভোগের এবং দুঃখের নিবৃত্তি সাধনের চেষ্টা করে, কিন্তু যেহেতু বিভিন্ন জীবদেহ সম্পূর্ণরূপে জড়া প্রকৃতির নিয়ন্ত্রণাধীন, তাই বিভিন্ন শরীরে তার সমস্ত পরিকল্পনা চরমে ব্যর্থ হয়। জড়-জাগতিক কার্যকলাপ সর্বদাই আধ্যাত্মিক, আধিদৈবিক এবং আধিভৌতিক, এই ত্রিতাপ দুঃখ মিশ্রিত। তাই, এই প্রকার কার্য সফল হলেও, তাতে কি লাভ? তা সত্ত্বেও তাকে জন্ম, মৃত্যু, জরা, ব্যাধি এবং তার সকাম কর্মের ফল ভোগ করতে হয়।”
ব্রাহ্মণ বললেন- “আমি দেখেছি ধন সংগ্রহে অত্যন্ত লোভী অজিতেন্দ্রিয় ধনী ব্যক্তিরা তাদের ধন-সম্পদ থাকা সত্ত্বেও, সর্বদিক থেকে ভীত হওয়ার ফলে ঘুমাতে পর্যন্ত পারে না। যারা বলবান এবং ধনবান তারা সর্বদাই রাষ্ট্রের আইন, দস্যু-তস্কর, শত্রু, আত্মীয়স্বজন, পশু-পক্ষী, দানপ্রার্থী, কাল, এমন কি নিজের কাছ থেকেও সর্বদা ভীত থাকে। মানব-সমাজে যারা বুদ্ধিমান তাঁদের কর্তব্য শোক, মোহ, ভয়, ক্রোধ, আসক্তি, দৈন্য, শ্রম প্রভৃতির মূল কারণ বল এবং অর্থের স্পৃহা পরিত্যাগ করা। মৌমাছি এবং অজগর, এই দুজন আমাদের শ্রেষ্ঠ গুরু, যারা আমাদের স্বল্প সংগ্রহে সন্তুষ্ট থাকার এবং এক স্থানে অবস্থান করার আদর্শ দৃষ্টান্ত প্রদর্শন করে। মৌমাছির কাছ থেকে আমি সঞ্চিত ধনের প্রতি অনাসক্ত হওয়ার শিক্ষা লাভ করেছি, কারণ ধন যদিও মধুর মতোই মধুর, যে কোন ব্যক্তি ধনপতিকে হত্যা করে সেই ধন হরণ করতে পারে। আমি কোন কিছু লাভ করার প্রয়াস করি না, আপনা থেকেই যা কিছু আমার কাছে আসে তা নিয়েই আমি সন্তুষ্ট থাকি। আমি যদি বহুদিন কিছু না পাই, তা হলেও আমি অবিচলিত থেকে অজগরের মতো ধৈর্যশীল হয়ে শায়িত থাকি। কখনও আমি অতি অল্প আহার করি এবং কখনও প্রচুর আহার করি। কখনও সেই খাদ্য অত্যন্ত সুস্বাদু এবং কখনও তা বিস্বাদ। কখনও গভীর শ্রদ্ধা সহকারে সেই খাদ্য আমাকে দেওয়া হয় এবং কখনও অত্যন্ত অবহেলাভরে তা দেওয়া হয়। কখনও আমি দিনের বেলা আহার করি এবং কখনও রাত্রে। এইভাবে অনায়াসে আমি যা পাই তাই আহার করি। আমার দেহ আচ্ছাদন করার জন্য আমি ক্ষৌম বসন, রেশম, সুতী, বল্কল, মৃগচর্ম আদি ভাগ্যবশত যা কিছু পাই, তা নিয়েই পূর্ণরূপে সন্তুষ্ট থাকি। কখনও আমি ধরাপৃষ্ঠে, কখনও পাতার উপর, কখনও ঘাস বা পাথরের উপর, কখনও বা ভস্মস্তূপে, আবার কখনও অন্যের ইচ্ছাক্রমে প্রাসাদে উত্তম পালঙ্কে বালিশের উপর শয়ন করি।”
“হে প্রভু, কখনও কখনও আমি সুন্দরভাবে স্নান করে, সারা শরীরে চন্দন লেপন করে এবং ফুলমালা, মনোহর বসন ও অলঙ্কারে বিভূষিত হয়ে রাজার মতো রথে, হস্তীতে অথবা ঘোড়ায় চড়ে ভ্রমণ করি। কখনও আবার পিশাচগ্রস্ত ব্যক্তির মতো দিগম্বর হয়ে ভ্রমণ করি। বিভিন্ন ব্যক্তির মনোভাবে বিভিন্ন। তাই আমি তাদের প্রশংসাও করি না অথবা নিন্দাও করি না। আমি কেবল এই আশা করে তাদের মঙ্গল কামনা করি যে, তারা যেন পরমাত্মা বা পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের প্রতি ঐকান্তিকতা লাভ করে। ভাল এবং মন্দের যে মনাধর্মপ্রসূত ভেদভাব তার ঐক্য চিন্তা করে, তারপর তাদের মনে অর্পণ করতে হবে। তারপর মনকে অহঙ্কারে এবং অহঙ্কারকে মহত্তত্ত্বে আহুতিস্বরূপ নিবেদন করা কর্তব্য। এটিই মিথ্যা ভেদভাব জয় করার পন্থা। বিজ্ঞ মননশীল ব্যক্তির অবশ্য কর্তব্য সংসারকে মায়া বলে উপলব্ধি করা। আত্ম-উপলব্ধির ফলেই কেবল তা সম্ভব। সত্যদ্রষ্টা আত্মজ্ঞানী ব্যক্তির কর্তব্য আত্ম-উপলব্ধিতে অবস্থিত হয়ে সমস্ত জড়-জাগতিক কার্যকলাপ থেকে বিরত হওয়া। প্রহ্লাদ মহারাজ, আপনি অবশ্যই একজন আত্ম-তত্ত্ববেত্তা ভগবদ্ভক্ত। আপনি সাধারণ মানুষের অথবা তথাকথিত শাস্ত্রের অভিমতের অপেক্ষা করেন না। তাই আমি নিঃসঙ্কোচে আমার আত্ম-উপলব্ধির ইতিহাস আপনার কাছে বর্ণনা করলাম।”
নারদ মুনি বললেন- “অসুরেশ্বর প্রহ্লাদ মহারাজ সেই মহাত্মার উপদেশ শ্রবণ করে পারমহংস্য-ধর্ম হৃদয়ঙ্গম করেছিলেন। তারপর সেই মহাত্মাকে পূজা করে তাঁর অনুমতি নিয়ে গৃহে প্রস্থান করেছিলেন।”

Leave a Reply

February 2026
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
232425262728  

Blog Stats

  • 140,959 hits