সেখানে এক বৃদ্ধ তপস্বী ছিলেন। সে বছরের পর বছর একই স্থানে বসে তপস্যা করেছিলেন। তার শরীর চুলে ভরা। অত্যন্ত চুলকানির কারনে তপস্বী তপস্যা করতে পারছিলেন না। তাই সে তার বন্ধুর সাথে দেখা করতে গেলো। সে তার বন্ধুকে বললেন, আশ্চর্য! আমি ধ্যান করার চেষ্টা করছি কিন্তু, অসহ্য চুলকানির কারনে আমি তা পারছিনা। আমার কী করা কর্তব্য বন্ধু। তার বন্ধু তাকে বলল, তোমার সবচেয়ে পাপিষ্ঠ ব্যক্তির গৃহে যাওয়া উচিত। এবং তার কাছে বাকী যা কিছু আছে তা তুমি চাইবে। তাই সে তৎক্ষণাৎ সবচেয়ে পাপী ব্যক্তি অজামিলের গৃহে গেলেন। অজামিল গৃহে ছিলনা, কিন্তু তার স্ত্রী ছিল। কে এই ব্যক্তি? অজামিলের স্ত্রী চিন্তা করছেন। সেই তপস্বী তাকে বলল যে, আমার কিছু খাবার চাই। এই কথা শুনে অজামিলের স্ত্রী তৎক্ষণাৎ প্রসাদ প্রস্তুত করতে শুরু করলেন। তাকে খেতে দিলেন। তপস্বী আরও চাই আরও চাই বলে খেতে থাকলেন। শেষে তিনি বললেন তোমার স্বামীর জন্য যা কিছু আছে আমি সেটুকুও চাই। সেই নারী খুবই আশ্চর্যান্বিত হলেন, সে অজামিলের জন্য রাখা প্রসাদটুকুও দিয়ে দিলেন। তিনি সেই নারীকে আশির্বাদ করে চলে গেলেন। যখন সে বাড়ি থেকে বের হয়ে হাঁটতে লাগলেন, সে বুঝলেন তার চুলকানি সেরে গেছে। তারপর তিনি চিন্তা করলেন, প্রতিদানে সেই নারীকে আমার কিছু দেয়া উচিত। যেই চিন্তা, সেই কাজ। তিনি অজামিলের বাড়িতে ফিরে গেলেন। ফিরে গিয়ে সে দেখতে পান অজামিলের স্ত্রী তার শিশুকে দুধ দিচ্ছিলেন। তপস্বী জিজ্ঞেস করলেন শিশুটির নাম কী? অজামিলের স্ত্রী উত্তরে জড়জাগতিক একটি কর্মী নামের কথা বললেন। সেই তপস্বী বললেন একে নারায়ণ বলে ডাক। সেই থেকে অজামিল উদ্ধার পেয়েছিলেন।
। হিতোপদেশ।
ভগবানের পবিত্র নাম উপহার স্বরূপ। মাঝে মাঝে ভগবানের আশির্বাদ সুপ্ত অবস্থায় আমাদের মাঝে আসে।