একদা ইউরোপের এক ভদ্রলোক ভগবানকে খোঁজার জন্য কলকাতার বিভিন্ন মন্দিরে যেতে লাগলেন। প্রথমে তিনি একটি কালী মন্দিরে প্রবেশ করলেন এবং কালী মাকে দেখে ভাবল, কালী মা তো দেখতে অনেক ভয়ংকর, কাকে যেন বধ করছে।
তারপর তিনি সেখান থেকে বের হয়ে একটি লক্ষ্মী মন্দিরে প্রবেশ করলেন এবং দেখে ভাবলেন যে, এই দেবী লোকদের ধনসম্পদ দিয়ে আশির্বাদ করার জন্য ব্যস্ত।
তাই তিনি অন্য মন্দিরে গেলেন এবং দেখলেন শিবজী যেন কার ধ্যানে মগ্ন। তিনি এবার অন্য একটি মন্দিরে গমন করলেন, যা ছিল রাধা-কৃষ্ণ মন্দির। রাধাকৃষ্ণকে দর্শন করে খুব আনন্দিত হলেন। তিনি ভাবলেন, কৃষ্ণই ভগবান, কেননা তিনি কত সুন্দরভাবে সকলের সেবা গ্রহণ করছে। যেখানে অন্য সকলে তার সেবার জন্য কোন না কোন ভাবে ব্যস্ত এবং কোন না কোন কিছু করছেন।
। হিতোপদেশ।
বৈদিক সিদ্ধান্ত হল, কৃষ্ণই পরম পুরুষোত্তম ভগবান এবং অন্যান্য দেবদেবীরা ভগবানের সেবক।