এক ব্যক্তি অক্লান্ত পরিশ্রম করে সংসার পরিচালনা করত। কিন্তু তার স্ত্রী-পুত্রের দ্বারা লাঞ্ছিত হয়ে তার বৈরাগ্যের উদয় হল। তখন সব পরিত্যাগ করে যাওয়ার সময় একটি মাত্র গীতা সম্বল করে একটি পাহাড়ের এক গুহাতে আশ্রয় নেয়। গুহার ভিতর একটি ইঁদুর ছিল। সে রোজ গীতার পাতাগুলি কাটতে থাকে। ইঁদুরের অত্যাচার বন্ধ করতে লোকটি গ্রাম থেকে এক বিড়াল ছানা নিয়ে আসে। বিড়ালটিকে পালন করতে দুধ দরকার হল। রোজ রোজ কোথা থেকে দুধ পাওয়া যাবে ? তাই সে একটি গাভী সংগ্রহের চিন্তা করল। সত্যিই কোন একজন লোক এই লোকটিকে একটি গাভী দান করল। কিন্তু শীত ও বর্ষার দিনে গাভীকে রক্ষার জন্য পরিশ্রম করে লোকটি একটি গোশালা বানাল। কিন্তু রোজ রোজ গাভীর দেখাশুনা কে করবে ? তাই গাভীর যত্ন নিতে একজন লোককে রাখল। কিন্তু লোকটি চোর ও ফাঁকিবাজ, দুধ চালান দিতে পারে। তাকেই বা দেখাশোনা কে করবে তাই অবশেষে গীতা পাঠী লোকটি বিয়ে করে বসল। স্ত্রী ও ছেলেপিলে, জমিজমা, ঘরবাড়ি, লোকজন- অনেক কিছু বাড়ল। তখন সাধন ভজন ছেড়ে নিজেকেই সব কিছু দেখাশোনা করতে হল।
। হিতোপদেশ।
যারা হরিভজনের ছলনায় নানা রকম অজুহাত দেখিয়ে সংসার বাসনা করে তাদের সমস্ত সাধন ভজন সমূলে পন্ড হয়ে যায়। সংসারের বোঝা নিয়েই তাদের সারা জীবন ভারাক্রান্ত থাকে।